পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় পারের অপেক্ষায় ৮ শতাধিক গাড়ি

July 20, 2018 at 5:21 pm

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

পদ্মায় প্রবল স্রোতের কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে ঘাটের উভয়পাড়ে পারাপারের অপেক্ষায় আছে আট শতাধিক যানবাহন। এছাড়া দু’টি ফেরি বিকল হওয়ায় চরমে পৌঁছেছে যাত্রী দুর্ভোগ। চলাচল করছে ১৪টি ফেরি।

পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত এবং ২টি ফেরি বিকল হওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় দক্ষিণাঞ্চলগামী যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। পারাপারের অপেক্ষায় যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ ৮ শতাধিক যানবাহন।

শুক্রবার (২০ জুলাই) সকাল ১০টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের উভয় ঘাট মিলে ৫ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন রাসেল জানান, ভোরের দিকে নৌরুট এলাকায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফেরি চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। এতে করে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে ঘাট এলাকায়। যে কারণে যাত্রীবাহী বাসগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নৌরুট পারাপার করা হয়। এতে করে ঘাট এলাকায় অপেক্ষমাণ পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা বাড়তে থাকে। সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, নদীতে প্রবল স্রোত থাকার কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে বেশি। এছাড়া যানবাহনের তুলনায় ফেরিও কম। আবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বড় একটি ফেরি মেরামত কারখানায় রয়েছে। যে কারণে ঘাট এলাকায় যানবাহনের কিছুটা চাপ রয়েছে।

তবে ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি, যাত্রীবাহী বাস এবং জরুরি পণ্যবাহী ট্রাকগুলো পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। যে কারণে সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে নৌরুট পার হতে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সবশেষ দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক নৌরুট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

ট্রাক শ্রমিকদের অভিযোগ, ফেরি পারাপারের টিকেট না দেয়ায় পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে ঘাট এলাকায় গত দু’দিন ধরে অপেক্ষা করছেন তারা।

এক ট্রাকচালক বলেন, ‘গতকাল বিকাল চারটা থেকে এইভাবে টার্মিনালে পড়ে আছি। এত যানজট হলে কী করবো?’

আরেকজন বলেন, ‘পরিবহনের টিকেট দিচ্ছে, কিন্তু আমাদের টিকেট দিচ্ছে না। আজকে দুই দিন ধরে টার্মিনালে। খাওয়া নাই, গোসল নাই।’

Print