বাঘায় ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ, রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে

May 18, 2017 at 6:45 pm

আমানুল হক আমান, বাঘা:
রাজশাহী বাঘায় ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ শুরু হয়েছে। উৎপাদিত আমের গুণগত মান ভালো হওয়ার কারনে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চাষিরা বালাইমুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন করতে বাগানে ব্যবহৃত হচ্ছে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি।

সুস্বাদু ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের গন্ডি পেরিয়ে উপজেলার আম রপ্তানি হচ্ছে ইতালী, চীন, আমিরকা, লন্ডনসহ বিভিন্ন দেশে।

সরেজমিনে বাঘা উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম ছানার আম বাগানে বিভিন্ন জাতের আমে ফ্রুট ব্যাগিং করা হয়েছে। গত বছর থেকে এই বাগানে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ করা হয়। এতে স্বাভাবিক বাজারের চেয়ে অনেক বেশী দামে আম বিক্রি হয় বলে জানা গেছে।

উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের আম চাষি শফিকুল ইসরাম ছানা সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে আম ঝড়ে যায়। আমে ফ্রুট ব্যাগিং থাকলে অনেক আম রক্ষা পায়। এছাড়া আমে ফ্রুট ব্যাগিং করলে ডালে ডালে আছাড় খেয়েও নষ্ট হয় না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা বেগম বলেন, আম রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে হলে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতির বিকল্প নেই। ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষ করলে রোগবালাই হয় না। ফলন অনেক বেশী হয়। রোদ, বৃষ্টি ও পোকামাকড়ে ক্ষতি করতে পারেনা। কীটনাশকমুক্ত আমের চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়া যায়। এই পদ্ধতিতে আম চাষ করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। এই পদ্ধতিতে আম চাষ করলে কীটনাশক স্প্রে করতে হয় না। এই পদ্ধতিতে আম চাষে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

উপজেলায় আট হাজার ৩৬৮ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এরমধ্যে ২০০ মেট্রিক টন ব্যাগিং আমের চাহিদা আছে। গতবার আটটি দেশে আম রপ্তানী হয়েছে। এবারে রপ্তানীকৃত দেশের সংখ্যা আরো বাড়বে বলেও আশা করছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
স/অ

Print