নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাসজনিত রোগটি বিশেষ করে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে হাম থেকে জটিলতা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম মূলত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলেই সহজেই অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে। তাই রোগ শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক কিছু করণীয় মেনে চলা জরুরি।
*প্রাথমিক করণীয়
হাম আক্রান্ত রোগীকে প্রথমেই অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে হবে, যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়। রোগীর জ্বর থাকলে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী জ্বরের ওষুধ দেওয়া উচিত।
চিকিৎসকরা পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি চোখ ও ত্বকের বিশেষ যত্ন নিতে হবে, কারণ হাম হলে চোখ লাল হওয়া ও ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
* ভিটামিন ও চিকিৎসা
বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিটামিন A সাপ্লিমেন্ট হাম রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা জটিলতা কমাতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তা গ্রহণ করতে হবে।
* যেসব লক্ষণে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে
রোগীর শ্বাসকষ্ট, খাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
*প্রতিরোধই সর্বোত্তম উপায়
চিকিৎসকদের মতে, হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সময়মতো টিকাদান। শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করলে এই রোগ থেকে সহজেই সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।









