সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
শরীর কখনোই হঠাৎ করে বড় কোনো রোগে আক্রান্ত হয় না; বরং আগে থেকেই বিভিন্ন ছোটখাটো লক্ষণের মাধ্যমে সংকেত দিতে শুরু করে। পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, শরীরের ভেতরে তৈরি হওয়া প্রদাহ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা বড় ধরনের রোগের কারণ হতে পারে। সময়মতো এই লক্ষণগুলো চিনতে পারলে অনেক জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন, জেনে নিই যেসব লক্ষণ দেখে সতর্ক হওয়া জরুরি।
ত্বকের পরিবর্তন : হঠাৎ করে ত্বক লালচে হয়ে যাওয়া, ব্রণ বেড়ে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক শুষ্কতা ও নিস্তেজ ভাব লক্ষ করলে সতর্ক হতে হবে। এগজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো সমস্যা শরীরের ভেতর হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও প্রদাহের ইঙ্গিত দেয়।

হজমের সমস্যা : নিয়মিত পেট ফাঁপা, অস্বস্তি বা অম্বল হওয়া কেবল খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে না। এটি অন্ত্রের অস্বাস্থ্যের লক্ষণ, যা পুরো শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা : পেশিতে টান ধরা বা হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা হওয়াকে শুধু শারীরিক পরিশ্রমের ফল ভাবা ভুল। যদি বিশ্রাম নেওয়ার পরও ব্যথা না কমে, তবে বুঝতে হবে শরীরের ভেতরে প্রদাহ বাড়ছে।
মানসিক অস্থিরতা ও ক্লান্তি : পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও সারাদিন ক্লান্ত লাগা, খিটখিটে মেজাজ বা হঠাৎ অস্থিরতা অনুভব করাও প্রদাহের লক্ষণ হতে পারে। প্রদাহ মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মেও বাধা সৃষ্টি করে।
পুরানো রোগ : কোলাইটিস, আর্থ্রাইটিস বা প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো রোগগুলো সরাসরি শরীরের বাড়তি প্রদাহের সঙ্গে যুক্ত।
করণীয়
চিকিৎসকদের মতে, এসব লক্ষণ দেখা দিলে কেবল ওষুধ বা প্রসাধনী ব্যবহার না করে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে শরীরের এই নীরব সংকেতগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সূত্র : আনন্দবাজার









