অমিতাভকে স্বপ্নে দেখেছি বহুবার: কবরী

July 20, 2019 at 12:30 pm

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

দেশের চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনয়শিল্পী ও মিষ্টি মেয়েখ্যাত কবরী গতকাল শুক্রবার জন্মদিন পার করলেন। কততম জন্মদিন, তা অবশ্য জানা যায়নি। একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে এই জন্মদিন পালন করেছেন। গতকাল বিকেলে তাঁর সঙ্গে কথা হলে ইচ্ছার কথা জানা যায়।

শুভ জন্মদিন।
ধন্যবাদ।

কেমন ছিল জন্মদিনের আয়োজন?
একেবারে সাদামাটা। কেক কেটেছি। ৩০ বছর পর কাকতালীয়ভাবে গত বৃহস্পতিবার বন্ধুর সঙ্গে দেখা। তার সঙ্গে বাইরে খাওয়াদাওয়া সেরেছি।

জন্মদিন আপনি কীভাবে দেখেন?
আমি ওভাবে দেখি না। নিত্যদিনের মতো আসে আর যায়। আমার সন্তান ও নাতি-নাতনিরা কাছে থাকলে হইচই হয়। তখন ভালো তো লাগে। এ ছাড়া সবাই শুভেচ্ছা জানায়, এটা আনন্দ দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে ছেলে ও নাতি-নাতনিদের নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে চলে গেলাম।

জন্মদিনে জানতে চাই এমন একটি ইচ্ছার কথা, যা আপনার মনের মধ্যে আছে?
সত্যি করে বলতে গেলে, ভালো ভালো সিনেমা বানানোর শখ তো সব সময় থাকে। কিন্তু আমার না মন্ত্রী হওয়ার খুব ইচ্ছা। আমি মানুষের জন্য কাজ করি তো, মানুষের দুঃখ-সুখের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন কোনো কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকতে পারলে খুব ভালো লাগত।

চলচ্চিত্রের কী অবস্থা?
চলচ্চিত্রের যে ঐতিহ্য ছিল, তা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। উচ্চপর্যায়ের একটা কমিটি করতে হবে, তা না হলে এই পতন ঠেকানো সম্ভব নয়। চলচ্চিত্রের উন্নয়নে অনেক কিছু হচ্ছে, আবার কিছুই হচ্ছে না। এই অনুদানের সিনেমার কথাই যদি বলি, কাকে দিচ্ছে, কেন দিচ্ছে, কিছুই বোধগম্য নয়।

আপনি তো অনুদান পেয়েছেন। আপনাকে মূল্যায়ন করেছে তো?
আমাকে মূল্যায়ন করা হয়নি, আমি আদায় করছি। আমি তো অনেক দিন বসে ছিলাম। আমাকে ডেকে নিয়ে বলেনি, আপনি কাজ করেন। চলচ্চিত্রকে আমি যে পরিমাণ ভালোবাসি, সে হিসেবে তো দায়িত্ব পাইনি কিছুই করার।

শেষ তিন প্রশ্ন
আপনার প্রিয় অভিনয়শিল্পী?
সোফিয়া লরেন, এলিজাবেথ টেলর, অড্রে হেপবার্ন, গ্রেগরি পেক, উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বিকাশ রায় ও ছবি বিশ্বাস।

প্রিয় সংগীতশিল্পী।
পপ ধারার গান বেশি শুনি। প্রিয় শিল্পী মান্না দে, হেমন্ত ও শ্রীকান্ত আচার্য্য। দেশে সুবীর নন্দী ও সাবিনা ইয়াসমীন।

যার সঙ্গে অভিনয়ের স্বপ্ন দেখতেন?
অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করার খুব আগ্রহ ছিল। তাঁর অভিনয় ও কথাবার্তা মুগ্ধ করত। অমিতাভকে স্বপ্নে দেখেছি বহুবার। দেশের মধ্যে খান আতাকে তাঁর ব্যক্তিত্বের কারণে ভালো লাগত।

Print