ধামইরহাটে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

April 15, 2019 at 5:56 pm
নিজস্ব প্রতিবেদক, নওগাঁ:
নওগাঁর ধামইরহাটে নবম শ্রেণি পড়ুয়া ক্ষুদ্র জাতিসত্তার এক কিশোরীকে (১৪) অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই কিশোরীর পরিবারই এই অভিযোগ তুলেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সুজন হাঁসদা (২২) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে।
ধামইরহাট থানার পুলিশ ও কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই কিশোরীর বাড়ি ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নে। গতকাল রোববার বিদ্যালয়ের আয়োজনে বর্ষবরণের শোভাযাত্রায় অংশ নিতে সে বাড়ি থেকে বের হয়। বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান শেষে ওই কিশোরী বান্ধবীদের সঙ্গে আত্রাই নদের ধারে উপজেলার শিমুলতলীতে সামাজিক বনায়ন এলাকায় বেড়াতে যায়। বনায়ন এলাকায় একপর্যায়ে একা পেয়ে সুজন হাঁসদা নামের এক তরুণ কিশোরীটির পথ রোধ করে দাঁড়ান। এরপর তিনি নানা ভয়ভীতির মুখে কিশোরীটিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে সাপাহার উপজেলার গোপালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে ধামইরহাট থানা পুলিশ রোববার রাত আড়াইটার দিকে সুজন হাঁসদার বাড়ি থেকে কিশোরীটিকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ সুুজন হাঁসদাকে গ্রেপ্তার  করে।
ওই কিশোরীর বাবা বলেন, আমাদের গ্রামে সুজনের বোনের বিয়ে হয়েছে। এই সুবাদে সে (সুজন) প্রায়ই তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসত। মাঝেমধ্যেই সে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি জানার পর তার বোন-দুলাভাইয়ের কাছে অভিযোগ করা হয় এবং তাকে এ গ্রামে আসতে নিষেধ করা হয়। এই ক্ষোভে সুজন আমার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করে।
মেয়েকে উদ্ধারের পর আজ সোমবার ওই কিশোরীর বাবা ধামইরহাট থানায় মামলা করেন। মামলায় সুজনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।  আজ সোমবার নওগাঁ সদর হাসপাতালে কিশোরীটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সুজনকে আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স/শা
Print