জাতীয়

হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার আসছেন বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্ক২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শনে আসছেন ভারতের রাজশাহীস্থ সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করবেন তিনি।

এ সময় তিনি হিলিতে স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট, আমদানি-রপ্তানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বৈঠকে সীমান্ত বাণিজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও তা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান।

 

অন্যদিকে, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের অভ্যন্তরে আন্দোলনরত সিএন্ডএফ এজেন্ট ও রপ্তানিকারকদের সঙ্গে দেশটির প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

চলমান সমস্যার সমাধানে ওই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বৈঠকে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারও যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভারতের হিলি অংশে সিএন্ডএফ এজেন্ট ও রপ্তানিকারকদের আন্দোলনের কারণে গত কয়েকদিন ধরে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ী, আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ সময় বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বন্দরে পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থায়ও এর প্রভাব পড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের হিলি সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে সীমান্ত বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত ও সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলে দ্রুত বাণিজ্য কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার আগামীকাল হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শনে আসবেন। তিনি পানামা পোর্টের হলরুমে সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি ও বাণিজ্য-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, হিলি স্থলবন্দর দুই দেশের বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বন্দর। তাই যেকোনো কারণে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে চলমান সমস্যার সমাধান করে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে ভারতের রাজশাহীস্থ সহকারী হাইকমিশনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মনোজ কুমার ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর রাজশাহীতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

আগামীকালের পৃথক দুই বৈঠক থেকে চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর সিদ্ধান্ত আসে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছেন হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্টরা।