সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, এক ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাক্ষাতের জন্য নিজ গ্রাম থেকে অন্য এক গ্রামে রওনা হয়। তখন আল্লাহ তাআলা তার জন্য পথিমধ্যে একজন ফেরেশতা নিয়োগ করেন।
তারপর সে ব্যক্তি যখন ফেরেশতার কাছে পৌঁছায়, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছ? সে বলল, আমি এ গ্রামে আমার এক ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য যেতে চাই।

ফেরেশতা বললেন, তার কাছে কি তোমার কোনো অবদান আছে, যা তুমি আরো বৃদ্ধি করতে চাও? সে বলল, না। আমি তো শুধু আল্লাহর জন্যই তাকে ভালোবাসি। ফেরেশতা বললেন, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে (তাঁর দূত হয়ে) তোমার কাছে অবহিত করার জন্য এসেছি যে আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসেন, যেমন তুমি তোমার ভাইকে তাঁরই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ভালোবেসেছ।
(মুসলিম, হাদিস : ৬৪৪৩)
শিক্ষা ও বিধান
১. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালোবাসা ঈমানের অন্যতম দাবি। তাই ব্যক্তিগত স্বার্থ, সম্পদ বা পার্থিব লাভের পরিবর্তে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কাউকে ভালোবাসা মুমিনের উত্তম বৈশিষ্ট্য।
২. আল্লাহর জন্য বন্ধুত্ব করাও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। কোনো মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা, তাঁর খোঁজখবর নেওয়া এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা—এসব কাজে আল্লাহ খুশি হন।
৩. মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সফর করাও ইবাদত।
৪. প্রকৃত ভালোবাসা শুধু উপকার পাওয়া বা কোনো সুবিধা লাভের জন্য হয় না; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই এর মূল উদ্দেশ্যেই হয়ে থাকে।









