সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

পুলিশের সূত্র জানায়, গরু চুরির অভিযোগে প্রথম মামলাটি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত গৃহস্থ ও বাদুরগাছা গ্রামের নিলুফা ইয়াসমিন।
অন্যদিকে গণপিটুনিতে গুরুতর আহত সুমনের ভাই, যশোর শহরের আরাপপুরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হয়ে দুই শতাধিক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলা করেছেন।
কালীগঞ্জ থানার বারোবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদকে মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। গণপিটুনিতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ‘গণপিটুনির ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভোরে বাদুরগাছা গ্রামের বিধবা নিলুফা বেগমের বাড়িতে গরু চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হন আয়নাল ও সুমন। পরে উত্তেজিত জনতা তাদের একটি বাঁশের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। গণপিটুনির এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই আয়নালের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে হাবিবের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। একই সঙ্গে মুমূর্ষু অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।









