সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
বরিশালে বিএনপির সমাবেশকালে শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর সদর রোডে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা কোন পক্ষের তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি।
তবে বিএনপি দাবি করেছে শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালালে এই আহতের ঘটনা ঘটে।
বরিশাল মহানগর পুলিশের উপকমিশনার গোলাম রউফ জানান, সমাবেশের প্রস্তুতি উপলক্ষে বিএনপির নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। একই সময় কিছুটা দূরে সদর রোডে অবস্থান করছিলেন শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্য থেকে একটি বোতল শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে ছুড়ে মারা হয়। এ ঘটনায় শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীসহ ওই স্থানে উপস্থিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীরা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের দিকে এগিয়ে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহিন দাবি করেন, ‘আমাদের সমাবেশের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। হামলায় বিএনপি নেতা এবায়দুল হক চাঁন, আবুল কালাম শাহীন, কামরুন্নাহার রোজী, সংরক্ষিত কাউন্সিলর তসলিমা কালাম পলি, মামুন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর সেলিনা রহমান, আজাদ সিকদার, আসাদুজ্জামান মারুফ, জয়নব বেগম ও বাবুসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
মহানগর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন বলেন, ‘সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের পাশে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সামনে নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। একই সময় সদর রোডে অবস্থান নেওয়া শ্রমিক লীগ নেতা কর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা যোগ দেন। তারা একত্রিত হয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেন।’
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক বলেন ‘পরিস্থিতি ঘোলা করতে বিএনপির হামলার নাটক সাজিয়েছে। তারা নিজেরই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ওপর দায় চাপাচ্ছে।’
সূত্র :রাইজিংবিডি









