জাতীয়

কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর শটগান ও ওয়াকি-টকি ফেলে পালাল বিএসএফ

নিউজ ডেস্ক২৬ আগস্ট ২০২৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বনচৌকি সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে এক কৃষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় কৃষকেরা বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া দিলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দুটি শটগান ও একটি ওয়াকি-টকি ফেলে পালিয়ে যান তাঁরা।

পরে অস্ত্র ও ওয়াকি-টকি বিজিবির বনচৌকি বিওপি ক্যাম্পে জমা দেন স্থানীয় কৃষকেরা। 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের বনচৌকি সীমান্তের আমঝোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমঝোল এলাকায় নিজের ধানখেতে কাজ করছিলেন কৃষক লিটন মিয়া (২৭)। এ সময় ভারতের ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলিমারি ক্যাম্পের কয়েকজন সদস্য সেখানে এসে তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটিতে জড়ান।

একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা লিটন মিয়াকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। 

লিটনকে মারধরের খবর পেয়ে আশপাশের কৃষকেরা সেখানে ছুটে যান। পরে তাঁরা বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা দুটি শটগান ও একটি ওয়াকি-টকি ফেলে পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয় কৃষকেরা সেগুলো বনচৌকি বিওপি ক্যাম্পে জমা দেন। 

ভুক্তভোগী কৃষক লিটন মিয়া বলেন, বিকেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ধানখেতে কাজ করার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে বাধা দেন। প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে আশপাশের কৃষকেরা এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। তাঁর হাত-পায়ে মারধরের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।