
আমি বদলে যাওয়া এই রাজশাহীকে ভালোবাসি। শুধু আমি না এই রাজশাহীকে ভালোবেসে বদলে যাওয়া নগরীকে দেখতে আসেন সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে কিভাবে এতো সুন্দর করে একটি শহরকে সাজানো যায়, সেটি দেখে হতবাক হোন পর্যটকরাও। তারাও বদলে দেয়ার কারিগর রাসিক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ভূয়সি প্রশংসা করেন। এই কয়দিন আগে কুমিল্লা থেকে আমার পরিচিত দুই সাংবাদিক ভাই এসেছিলেন রাজশাহীতে। তাদের ভাষায়, “আপনাদের মেয়র অনেক বড় মনের অধিকারী। বড় মন না হলে এমন সুন্দর করে রাজশাহী শহরকে সাজাতেন না।” আমরা যারা রাজশাহীর বাসিন্দা, তারাও জানি মেয়র লিটন বড় মনের মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তার এই অবদানের জন্য তাকে পছন্দ করি। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন বা এখনো করছেন, আর কয়জন নেতা সেটি করেছেন? কিন্তু হঠাৎ রাজশাহীর উন্নয়ন এবং মেয়রকে নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে একটি মহল খুব সোচ্চার হয়ে উঠেছেন দেখছি। রাজশাহীর উন্নয়ন নিয়ে ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা কৌশলে মেয়রকে ছোট করার চেষ্টাও করছেন কেউ কেউ।
এখানে একটি কথা বলে রাখি; প্রতিটি ভালোর কিছু খারাপ দিক থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। বলা হয়, “চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।” সে ক্ষেত্রে বৃহৎ কোনো ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে গেলে কিছু সমস্যা ঘটবেই। কিন্তু ছোট ছোট খারাপ দিকগুলো সামনে এনে এবং নানাভাবে সমালোচনা করে আমরা গোটা রাজশাহীকেই খাটো করছি নাতো? অথচ এই রাজশাহীকে নিয়ে আমাদের গর্ব অনেক। হাতেগোনা কিছু মানুষ সেই গর্বটাকে নষ্ট করার জন্য খুব সুক্ষ্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও আমরা জানি। আর কিছু মানুষ সমালোচনা করছেন হুজুগে পড়ে, নগরবাসীর সুবিধার কথা বা ভালো-মন্দ না জেনে না বুঝে। আর আমরা সহজ-সরল রাজশাহী নগরবাসী তাদের সেই কর্মকাণ্ডগুলো দেখে যাচ্ছি। এই গ্রীণ সিটি, ক্লিন সিটি রাজশাহী গড়ার জন্য যিনি বা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, এখন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাদের পাশে থাকা আমাদেরও দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
সমালোচনা করতে গিয়ে আমরা বদলে যাওয়া রাজশাহীকেই খাটো করছি না তো?

আমি বদলে যাওয়া এই রাজশাহীকে ভালোবাসি। শুধু আমি না এই রাজশাহীকে ভালোবেসে বদলে যাওয়া নগরীকে দেখতে আসেন সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে কিভাবে এতো সুন্দর করে একটি শহরকে সাজানো যায়, সেটি দেখে হতবাক হোন পর্যটকরাও। তারাও বদলে দেয়ার কারিগর রাসিক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ভূয়সি প্রশংসা করেন। এই কয়দিন আগে কুমিল্লা থেকে আমার পরিচিত দুই সাংবাদিক ভাই এসেছিলেন রাজশাহীতে। তাদের ভাষায়, “আপনাদের মেয়র অনেক বড় মনের অধিকারী। বড় মন না হলে এমন সুন্দর করে রাজশাহী শহরকে সাজাতেন না।” আমরা যারা রাজশাহীর বাসিন্দা, তারাও জানি মেয়র লিটন বড় মনের মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তার এই অবদানের জন্য তাকে পছন্দ করি। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন বা এখনো করছেন, আর কয়জন নেতা সেটি করেছেন? কিন্তু হঠাৎ রাজশাহীর উন্নয়ন এবং মেয়রকে নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে একটি মহল খুব সোচ্চার হয়ে উঠেছেন দেখছি। রাজশাহীর উন্নয়ন নিয়ে ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা কৌশলে মেয়রকে ছোট করার চেষ্টাও করছেন কেউ কেউ।
এখানে একটি কথা বলে রাখি; প্রতিটি ভালোর কিছু খারাপ দিক থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। বলা হয়, “চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।” সে ক্ষেত্রে বৃহৎ কোনো ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে গেলে কিছু সমস্যা ঘটবেই। কিন্তু ছোট ছোট খারাপ দিকগুলো সামনে এনে এবং নানাভাবে সমালোচনা করে আমরা গোটা রাজশাহীকেই খাটো করছি নাতো? অথচ এই রাজশাহীকে নিয়ে আমাদের গর্ব অনেক। হাতেগোনা কিছু মানুষ সেই গর্বটাকে নষ্ট করার জন্য খুব সুক্ষ্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও আমরা জানি। আর কিছু মানুষ সমালোচনা করছেন হুজুগে পড়ে, নগরবাসীর সুবিধার কথা বা ভালো-মন্দ না জেনে না বুঝে। আর আমরা সহজ-সরল রাজশাহী নগরবাসী তাদের সেই কর্মকাণ্ডগুলো দেখে যাচ্ছি। এই গ্রীণ সিটি, ক্লিন সিটি রাজশাহী গড়ার জন্য যিনি বা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, এখন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাদের পাশে থাকা আমাদেরও দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
সমালোচনা করতে গিয়ে আমরা বদলে যাওয়া রাজশাহীকেই খাটো করছি না তো?
আমি বদলে যাওয়া এই রাজশাহীকে ভালোবাসি। শুধু আমি না এই রাজশাহীকে ভালোবেসে বদলে যাওয়া নগরীকে দেখতে আসেন সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে কিভাবে এতো সুন্দর করে একটি শহরকে সাজানো যায়, সেটি দেখে হতবাক হোন পর্যটকরাও। তারাও বদলে দেয়ার কারিগর রাসিক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ভূয়সি প্রশংসা করেন। এই কয়দিন আগে কুমিল্লা থেকে আমার পরিচিত দুই সাংবাদিক ভাই এসেছিলেন রাজশাহীতে। তাদের ভাষায়, “আপনাদের মেয়র অনেক বড় মনের অধিকারী। বড় মন না হলে এমন সুন্দর করে রাজশাহী শহরকে সাজাতেন না।” আমরা যারা রাজশাহীর বাসিন্দা, তারাও জানি মেয়র লিটন বড় মনের মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তার এই অবদানের জন্য তাকে পছন্দ করি। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন বা এখনো করছেন, আর কয়জন নেতা সেটি করেছেন? কিন্তু হঠাৎ রাজশাহীর উন্নয়ন এবং মেয়রকে নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে একটি মহল খুব সোচ্চার হয়ে উঠেছেন দেখছি। রাজশাহীর উন্নয়ন নিয়ে ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা কৌশলে মেয়রকে ছোট করার চেষ্টাও করছেন কেউ কেউ।
এখানে একটি কথা বলে রাখি; প্রতিটি ভালোর কিছু খারাপ দিক থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। বলা হয়, “চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।” সে ক্ষেত্রে বৃহৎ কোনো ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে গেলে কিছু সমস্যা ঘটবেই। কিন্তু ছোট ছোট খারাপ দিকগুলো সামনে এনে এবং নানাভাবে সমালোচনা করে আমরা গোটা রাজশাহীকেই খাটো করছি নাতো? অথচ এই রাজশাহীকে নিয়ে আমাদের গর্ব অনেক। রাজশাহীর অলি-গলির রাস্তাও হয়েছে পাকাকরণ, প্রসস্ত। ৬ লেন রাস্তাও হয়েছে এই নগরীতে। সড়ক বিভাজনগুলো মেতে উঠে ফুলের সৌন্দর্যে। রাতের রঙ্গিন আলোয় হৃদয় ছুঁয়ে যায় এক নজর দেখেই। শত শত মানুষ কেবলমাত্র রাজশাহীর রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘর থেকে বের হোন। যা কেবল বিদেশের কোনো রাস্তায় মন দৃশ্য দেখা মিলত আগে। অথচ এমন উন্নয়ন আর সৌন্দর্য ম্লান করে দিয়ে হাতেগোনা কিছু মানুষ আমাদের সেই গর্বটাকে নষ্ট করার জন্য খুব সুক্ষ্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর কিছু মানুষ সমালোচনা করছেন হুজুগে পড়ে, নগরবাসীর সুবিধার কথা বা ভালো-মন্দ না জেনে না বুঝে। আর আমরা সহজ-সরল রাজশাহী নগরবাসী তাদের সেই কর্মকাণ্ডগুলো দেখে যাচ্ছি। এই গ্রীণ সিটি, ক্লিন সিটি রাজশাহী গড়ার জন্য যিনি বা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, এখন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাদের পাশে থাকা আমাদেরও দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
সমালোচনা করতে গিয়ে আমরা বদলে যাওয়া রাজশাহীকেই খাটো করছি না তো?
আমি বদলে যাওয়া এই রাজশাহীকে ভালোবাসি। শুধু আমি না এই রাজশাহীকে ভালোবেসে বদলে যাওয়া নগরীকে দেখতে আসেন সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে কিভাবে এতো সুন্দর করে একটি শহরকে সাজানো যায়, সেটি দেখে হতবাক হোন পর্যটকরাও। তারাও বদলে দেয়ার কারিগর রাসিক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ভূয়সি প্রশংসা করেন। এই কয়দিন আগে কুমিল্লা থেকে আমার পরিচিত দুই সাংবাদিক ভাই এসেছিলেন রাজশাহীতে। তাদের ভাষায়, “আপনাদের মেয়র অনেক বড় মনের অধিকারী। বড় মন না হলে এমন সুন্দর করে রাজশাহী শহরকে সাজাতেন না।” আমরা যারা রাজশাহীর বাসিন্দা, তারাও জানি মেয়র লিটন বড় মনের মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তার এই অবদানের জন্য তাকে পছন্দ করি। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন বা এখনো করছেন, আর কয়জন নেতা সেটি করেছেন? কিন্তু হঠাৎ রাজশাহীর উন্নয়ন এবং মেয়রকে নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে একটি মহল খুব সোচ্চার হয়ে উঠেছেন দেখছি। রাজশাহীর উন্নয়ন নিয়ে ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা কৌশলে মেয়রকে ছোট করার চেষ্টাও করছেন কেউ কেউ।
এখানে একটি কথা বলে রাখি; প্রতিটি ভালোর কিছু খারাপ দিক থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। বলা হয়, “চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।” সে ক্ষেত্রে বৃহৎ কোনো ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে গেলে কিছু সমস্যা ঘটবেই। কিন্তু ছোট ছোট খারাপ দিকগুলো সামনে এনে এবং নানাভাবে সমালোচনা করে আমরা গোটা রাজশাহীকেই খাটো করছি নাতো? অথচ এই রাজশাহীকে নিয়ে আমাদের গর্ব অনেক। রাজশাহীর অলি-গলির রাস্তাও হয়েছে পাকাকরণ, প্রসস্ত। ৬ লেন রাস্তাও হয়েছে এই নগরীতে। সড়ক বিভাজনগুলো মেতে উঠে ফুলের সৌন্দর্যে। রাতের রঙ্গিন আলোয় হৃদয় ছুঁয়ে যায় এক নজর দেখেই। শত শত মানুষ কেবলমাত্র রাজশাহীর রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘর থেকে বের হোন। যা কেবল বিদেশের কোনো রাস্তায় মন দৃশ্য দেখা মিলত আগে। অথচ এমন উন্নয়ন আর সৌন্দর্য ম্লান করে দিয়ে হাতেগোনা কিছু মানুষ আমাদের সেই গর্বটাকে নষ্ট করার জন্য খুব সুক্ষ্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর কিছু মানুষ সমালোচনা করছেন হুজুগে পড়ে, নগরবাসীর সুবিধার কথা বা ভালো-মন্দ না জেনে না বুঝে। আর আমরা সহজ-সরল রাজশাহী নগরবাসী তাদের সেই কর্মকাণ্ডগুলো দেখে যাচ্ছি। এই গ্রীণ সিটি, ক্লিন সিটি রাজশাহী গড়ার জন্য যিনি বা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, এখন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাদের পাশে থাকা আমাদেরও দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
সমালোচনা করতে গিয়ে আমরা বদলে যাওয়া রাজশাহীকেই খাটো করছি না তো?
আমি বদলে যাওয়া এই রাজশাহীকে ভালোবাসি। শুধু আমি না এই রাজশাহীকে ভালোবেসে বদলে যাওয়া নগরীকে দেখতে আসেন সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে কিভাবে এতো সুন্দর করে একটি শহরকে সাজানো যায়, সেটি দেখে হতবাক হোন পর্যটকরাও। তারাও বদলে দেয়ার কারিগর রাসিক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ভূয়সি প্রশংসা করেন। এই কয়দিন আগে কুমিল্লা থেকে আমার পরিচিত দুই সাংবাদিক ভাই এসেছিলেন রাজশাহীতে। তাদের ভাষায়, “আপনাদের মেয়র অনেক বড় মনের অধিকারী। বড় মন না হলে এমন সুন্দর করে রাজশাহী শহরকে সাজাতেন না।” আমরা যারা রাজশাহীর বাসিন্দা, তারাও জানি মেয়র লিটন বড় মনের মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তার এই অবদানের জন্য তাকে পছন্দ করি। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন বা এখনো করছেন, আর কয়জন নেতা সেটি করেছেন? কিন্তু হঠাৎ রাজশাহীর উন্নয়ন এবং মেয়রকে নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে একটি মহল খুব সোচ্চার হয়ে উঠেছেন দেখছি। রাজশাহীর উন্নয়ন নিয়ে ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা কৌশলে মেয়রকে ছোট করার চেষ্টাও করছেন কেউ কেউ।
এখানে একটি কথা বলে রাখি; প্রতিটি ভালোর কিছু খারাপ দিক থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। বলা হয়, “চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।” সে ক্ষেত্রে বৃহৎ কোনো ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে গেলে কিছু সমস্যা ঘটবেই। কিন্তু ছোট ছোট খারাপ দিকগুলো সামনে এনে এবং নানাভাবে সমালোচনা করে আমরা গোটা রাজশাহীকেই খাটো করছি নাতো? অথচ এই রাজশাহীকে নিয়ে আমাদের গর্ব অনেক। রাজশাহীর অলি-গলির রাস্তাও হয়েছে পাকাকরণ, প্রসস্ত। ৬ লেন রাস্তাও হয়েছে এই নগরীতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার দেয়া তিন হাজার কোটির টাকার চলমান উন্নয়নক্জে বদলে গেছে রাজশাহী। এর বাইরেও আগে থেকেই উদ্যোগ গ্রহণ করায় সড়ক বিভাজনগুলো মেতে উঠে ফুলের সৌন্দর্যে। রাতের রঙ্গিন আলোয় হৃদয় ছুঁয়ে যায় এক নজর দেখেই। শত শত মানুষ কেবলমাত্র রাজশাহীর রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘর থেকে বের হোন। যা কেবল বিদেশের কোনো রাস্তায় মন দৃশ্য দেখা মিলত আগে। অথচ এমন উন্নয়ন আর সৌন্দর্য ম্লান করে দিয়ে হাতেগোনা কিছু মানুষ আমাদের সেই গর্বটাকে নষ্ট করার জন্য খুব সুক্ষ্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর কিছু মানুষ সমালোচনা করছেন হুজুগে পড়ে, নগরবাসীর সুবিধার কথা বা ভালো-মন্দ না জেনে না বুঝে। আর আমরা সহজ-সরল রাজশাহী নগরবাসী তাদের সেই কর্মকাণ্ডগুলো দেখে যাচ্ছি। এই গ্রীণ সিটি, ক্লিন সিটি রাজশাহী গড়ার জন্য যিনি বা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, এখন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাদের পাশে থাকা আমাদেরও দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
লেখক: রফিকুল ইসলাম
সাংবাদিক








