সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
রেকর্ড ৪৭৯ রান তাড়ায় নেমে আফগানিস্তানের তখন ১৮তম ওভার চলছিল। ২ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছিল তারা। এমন সময়ই বাংলাদেশকে আরেকটি উইকেট উদযাপনের উপলক্ষ এনে দেন হাসান মাহমুদ। কিন্তু হাসানের করা প্রথম বলে রহমত শাহর ক্যাচটা ফেলে দিলেন স্লিপে দাঁড়ানো তানজিদ হাসান তামিম। ‘জীবন’ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারও পেলেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক। ১৬ রানে জীবন পাওয়া সেই রহমত পরে ফিফটি করেছেন।
ফিফটি করার পথে সেদিকউল্লাহ অতলকে নিয়ে বাংলাদেশকে শেষ বিকেলে ভালোই ভোগালেন রহমত। তাই ব্যক্তিগত ৫১ রানের সময় যখন ইবাদত হোসেন তাকে ড্রেসিংরুমে ফেরালেন তখন নাজমুল হোসেন শান্তদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। লিটন দাস ক্যাচ ধরতেই পুরো দল যেন গর্জন দিল। এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক।

কেননা তৃতীয় উইকেটে সেদিকউল্লাহ-রহমত ৮২ রানের জুটি গড়ে ক্যাচ ছাড়ার শাস্তিই দিচ্ছিল। চতুর্থ দিনের শেষ মুহূর্তে তাকে আউট করে তাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল বাংলাদেশ।
দিন শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ৩ উইকেটে ১৩২ রান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান। বিপরীতে আবুধাবি টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট।
একমাত্র টেস্টে রোমাঞ্চ নাকি সহজ পায় বাংলাদেশ সেটাই আগামীকাল দেখার বিষয়।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় আফগানিস্তান। দলীয় ২৮ রানে হারায় ২ উইকেট। উইকেট ভাগাভাগি করে নেন হাসান-ইবাদত। এরপরেই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সেদিকউল্লাহ-রহমত। অধিনায়ক ফিরলেও আফগানদের হয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করার লক্ষ্যে শেষ দিন সেদিকের সঙ্গী হবেন আরেক অপরাজিত ব্যাটার হাশমতইল্লাহ শহিদী। শহিদীর ১৯ রানের বিপরীতে ওপেনার সেদিক অপরাজিত আছেন ৩৫ রানে।
এর আগে চতুর্থ দিন বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন লিটন-মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেটে ১৪৯ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য এনে দেন তারা। এই জুটি গড়ার পথে ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন। বিপরীতে ফিফটি পেয়েছেন মিরাজ। ১০২ রানে লিটন আউট হতেই ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।
সেঞ্চুরি করার পথে ভাগ্যেকে পাশে পেয়েছেন লিটন। ১৪ ও ২৬ রানে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি। বিপরীতে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ৭ উইকেটে ৩৭২ রানে।









