সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে অধ্যক্ষ আজিজী বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত হলো, আমরা আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করব।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিবের অনুরোধের পর যদি প্রজ্ঞাপন জারি করা না হয়, আবরার সাহেবকে টেনেহিঁচড়ে মন্ত্রণালয় থেকে বের করা হবে।
গতকাল দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আয়োজিত মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাঁদের দাবি ও আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এরই মধ্যে শিক্ষকদের এসব দাবির প্রতি নীতিগতভাবে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তারেক রহমান আন্দোলনের আগেই বলেছেন, নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে সব বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে জাতীয়করণ করা হবে। এটি ছোট কথা নয়, কমিটমেন্ট। দলের পক্ষ থেকে আবারও অবহিত করলাম।’
বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, ‘শিক্ষকদের বারবার রাস্তায় নামতে হয়। আগামী দিনে যেন আন্দোলন করতে না হয়, সে জন্য পূর্ণ জাতীয়করণ করার কথাই পুনর্ব্যক্ত করছি। মর্যাদার জায়গায় আপনাদের আসীন করতে হবে। আপনারা জাতিকে আলোর পথে নিয়ে যাচ্ছেন, কষ্ট করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারকেও অনুরোধ করব, ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া পর্যাপ্ত নয়, বিশেষ বিবেচনা করতে হবে।’
গত রবিবার বাড়িভাড়া ৫ শতাংশ বৃদ্ধির সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। তবে এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। গতকাল নবম দিনের আন্দোলনে শিক্ষকরা জানিয়েছেন, বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা এক হাজার ৫০০ টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ না করা পর্যন্ত তাঁরা শ্রেণিকক্ষে ফেরত যাবেন না। তিন দফা দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।
এদিকে শিক্ষকদের আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপি ছাড়াও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একাত্মতা পোষণ করেছে।
জানা যায়, তিন দফা দাবিতে গত ১২ অক্টোবর থেকে আন্দোলনে নামেন শিক্ষকরা। ওই দিন শিক্ষকরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থানের পাশাপাশি সচিবালয় অভিমুখে লং মার্চ, শাহাবাগ মোড় অবরোধ, ভুখা মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেওয়া হলেও পরে তা স্থগিত করা হয়। গতকাল আবার দুই দিনের আরটিমেটাম দিয়ে যমুনা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।









