সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “দেশের বিভিন্ন মিল ও কারখানা গ্যাসের সংকটে ভুগছে, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এই পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; এটি ‘উত্তরাধিকার সূত্রে’ পাওয়া সংকট।

এর আগে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পতিত ও এক ফসলি জমি রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে হাওর ও নিম্নাঞ্চলে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পানি জমে থাকে। এসব এলাকার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে অনেক জমি আবাদে আনা সম্ভব হবে।’
তিনি বলে, ‘একইভাবে সেচের অভাবে যেসব জমি বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অনাবাদি থাকে, সেখানে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব।’
জলাবদ্ধতার পানি নিষ্কাশন এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে খাল খনন একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি সিলেটে তরমুজ চাষের সাফল্যকে নতুন ও অপ্রচলিত কৃষিপণ্যের সম্ভাবনার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আগাম তরমুজ উৎপাদনের মাধ্যমে সিলেটের কৃষকরা দেশের বাজারে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন।’









