নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর:
মাত্রারিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারনে দিন দিন মাটিতে কমছে জৈব পদার্থের পরিমান। মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য যেখানে সবনি¤œ ৫শতাংশ জৈব পদার্থ থাকার কথা সেখানে নাটোরের মাটিতে রয়েছে মাত্র এক থেকে দেড় শতাংশ। যার কারনে মাটি ক্ষয়ের কারনে কমে যাচ্ছে ফসল উৎপাদনের হার। এজন্য মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জমিতে ধৈষ্ণা চাষের পাশাপাশি সবুজ এবং জৈব সার ব্যবহারের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য কৃষি বিশেজ্ঞদের।
বৃহস্পতিবার নাটোরের সিংড়া উপজেলার কৈগ্রামের পোতারপার এলাকায় এক মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
কৃষি প্রনোদনার সহায়তার অংশ হিসেবে ধৈষ্ণা চাষ প্রর্দশনীর মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আলহাজ উদ্দিন আহাম্মেদ, জেলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তা আব্দুল গফুর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা একরামুল হক সহ অন্যন্যরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমান কমে যাওয়ায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার কারনে মাটির স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে কয়েক গুণহারে। এ অবস্থায় মাটির গুণাগুণ ফিরিয়ে আনতে জমিতে জৈব সার ব্যবহারের ওপর গুরুত্বরোপ করা হয়।
স/শ









