নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে দিনভর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর তীব্র শীতে ব্যাপক ভোগান্তি নেমে এসেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। তাপমাত্রা খুব একটা না কমলেও বৃষ্টির কারণে এবং দিনভর সূর্যের দেখা না পাওয়া সঙ্গে হু হু বাতাস শীতের পরিমাণ বেড়ে যায় কয়েক গুন। ফলে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষদের মাঝে নেমে আসে ভোগান্তি।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম সিল্কসিটি নিউজকে জানান, মঙ্গলবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে রাজশাহীতে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। দিন শেষে যার পরিমাণ গিয়ে দাঁড়ায় ২ দশমিক ২ মিলিমিটার।
ওই কর্মকর্তা আরো জানান, রাজশাহীতে মঙ্গলবার সর্বন্মি তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গতকাল সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়া এবং সর্বোচ্চ ছিল ২৬ দশমিক ০ ডিগ্রি সিলসেয়িাস। গত রবিবার রাজশাহীতে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ওইদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে ভোর থেকে শুরু হওয়া এ বৃষ্টির কারণে অনেকটাই ভোগান্তি নেমে আসে সাধারণ মানুষের মাঝে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষদের দুর্ভোগ বেড়ে যায় কয়েকগুন। একদিকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি অন্যদিকে ঠান্ডা বাতাসে জুবুথুবু হয়ে পড়েন তাঁরা।
নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় কথা হয় রিকশা চালক জিল্লার রহমানের সঙ্গে। তিনি বলছিলেন, এ বছর এতো শীত আজকেই (গতকাল) পড়লো মনে হচ্ছে। বৃষ্টি থাকার কারণেই শীতের মাত্রা অনেক বেশি লাগছে। রিকশা চালাতেও কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও পেটের খাওয়ার জোগাতে রিকশা নিয়ে বাইর হয়ছি।’
নগরীর দরিখরবোনা বস্তির বাসীন্দা মর্জিনা খাতুন বলেন, ‘এ বছর শীত খুব একটা বুইঝতে পারিনি। তবে আজ (গতকাল) টের পাচ্ছি অনেক শীত। খুব কষ্ট হচ্ছে। গরম কাপড় না থাকার কারণে ঘরের বাইরে গ্যালেই শরীর ক্যাঁইপেছে।’
স/আর









