নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) জন্য বড় স্বস্তির খবর এসেছে। গতকাল রাতে হাসপাতালের স্টোরে ১৫০০ বক্স ইনজেকশন ডুপিলুম্যাব (ট্রেড নাম: Dupixent) এবং ১৫০ বক্স ইনজেকশন সারিলুম্যাব (ট্রেড নাম: Kevzara) পৌঁছেছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ ঔষধগুলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতব্য সংস্থা Direct Relief-এর সহায়তায় সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক মোঃ আজিজুল হক আজাদ উদ্যোগ নিয়ে ঔষধগুলো আনেন। এ কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ উল ইসলাম।
চিকিৎসকরা জানান, ডুপিলুম্যাব ব্যবহার করা হয় জটিল অ্যাজমা, সিওপিডি, এটপিক ডার্মাটাইটিস, দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকারিয়া, পেমফিগাস ও পেমফিগয়েড রোগে। অন্যদিকে সারিলুম্যাব কার্যকর রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, জায়ান্ট সেল আর্টেরাইটিস ও পলিআর্টিকুলার জুভেনাইল আইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায়।
এছাড়া আগামীকাল সকালে ঢাকা থেকে আরেকটি চালানে স্যালমেটেরল-ফ্লুটিকাসন ইনহেলার, সেফডিনির সিরাপ, ল্যাবেটালল, আরলোটিনিব, আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইডসহ আরও বেশ কিছু ঔষধ রামেক হাসপাতালে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
গত সপ্তাহেও হাসপাতালটি ফ্যাক্টর এইট ও ইনজেকশন ডোসেট্যাক্সেল ডোনেশন পেয়েছে। দাতা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তিনটি শিপমেন্টে প্রাপ্ত ঔষধের মোট মূল্য প্রায় ৭৯ লাখ ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি রোগীদের এসব জীবনরক্ষাকারী ঔষধ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।
এদিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ঔষধ দেশে আনার অনুমতি দেওয়ায় ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শামীম হায়দার-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এমআইএস র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গত আড়াই বছর ধরে দেশের সেরা হাসপাতাল হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। এটিকে একটি ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্টদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।









