আন্তর্জাতিক

চীন-জাপানে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন ভাইরাস, মহামারির শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক৫ জানুয়ারি ২০২৫২ মিনিট পড়া
Human pathogenic viruses on colorful background, 3D illustration; Shutterstock ID 721680577; Project details: National Geographic Education Resource Library ; Client/Licensee: National Geographic Society; Other: Energy Resources, Infectious Agents

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

নতুন আতঙ্ক দ্য হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাসের (এইচএমপিভি) প্রাদুর্ভাব বেড়েছে চীন আর জাপানে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ধাঁচের এই ভাইরাসে এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। ভাইরাসটি করোনার মতোই ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি দেশটির হাসপাতালগুলোতে রোগীর ভিড় বেড়ে গেছে।

এ নিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে একাধিক ভাইরাসের উপস্থিতি উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএমপিভি একটি শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস, যা গোটা শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এটি ২০০১ সালে প্রথম চিহ্নিত হয় এবং শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ঝুঁকি তৈরি করে।
এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়, তা হলো- কাশি, জ্বর, নাক বন্ধ হওয়া, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি।

জটিল ক্ষেত্রে এই ভাইরাস ব্রংকাইটিস বা নিউমোনিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
এইচএমপিভি সাধারণত হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে নির্গত সিক্রেশন, ব্যক্তিগত সংস্পর্শ যেমন- হাত মেলানো,
সংক্রমিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করে মুখ, নাক বা চোখে হাত দেওয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি ছোট শিশু, বয়স্ক এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য বেশি মারাত্মক।

বিশেষজ্ঞদের অনেকের শঙ্কা, ২০২৫ সালে আবার করোনার মতো নতুন কোনো মহামারির উদ্ভব হতে পারে।

যদিও কোন রোগটি মহামারি আকার ধারণ করবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বার্তা এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। তবে এইচএমভির প্রাদুর্ভাব ভাবাচ্ছে তাদের।
যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ গবেষক মাইকেল হেড বলেন, ‘আরও একটি মহামারির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এখনো কোন রোগটি মহামারি আকার ধারণ করবে, সেটি নিশ্চিত না বলে আগাম মহামারির নাম দেওয়া হয়েছে ডিজিজ এক্স।’

হাম, কলেরা, বার্ড ফ্লু ও স্ক্যাবিসের মতো প্রায় ১১টি রোগকে সম্ভাব্য মহামারির তালিকায় রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে এইচএমপিভির সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে।
সূত্র: এনডিটিভি