রাজশাহীর খবর

গোদাগাড়ীতে ধর্ষণের দেড় মাস পরে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক১৭ ডিসেম্বর ২০১৬২ মিনিট পড়া

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ধর্ষণের দেড় মাস পরে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী খালেদা খাতুন (১৪) আত্মহত্যা করেছে। দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী স্কুলের গ্রন্থাগারিক শহিদুল ইসলামের দ্বারা ধর্ষণের স্বীকার হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এরপর সে গত ১১ ডিসেম্বর বিষপান করে। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দিবাগত রাতে সে মারা যায়।

 

খালেদা জৈতা বটতলা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর কন্যা। তবে ধর্ষণের ঘটনার পর থেকেই লোকলজ্জার ভয়ে মেয়েটিকে তার নানীর বাড়িতে রাখা হয়েছিল। সেখানেই গত ১১ ডিসেম্বর বিষপান করে খালেদা। এর তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মারা যায় সে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় শনিবার।

 

গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিপজুর আলম মুন্সি সিল্কসিটি নিউজকে জানান, ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী গত ১১ ডিসেম্বর বিষপান করে। এরপর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসার কোন উন্নতি না হওয়ায় শুক্রবার দিবাগত রাতে সে মারা যায়।

 

স্থানীয়রা জানান, গত ২ নভেম্বর শহীদুল ইসলাম স্কুল ছাত্রী খালেদার বাড়ীতে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। স্থানীয়রা তাকে হাতে নাতে ধরে ও রাতেই গোদাগাড়ী থানা পুলিশের কাছে সোপার্দ করে। পরদিন ধর্ষিতার মা শহীদুল ইসলামকে আসামী করে মামলা দায়ের করলে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

 

এরপর থেকেই ধর্ষক শহীদুলের বিচারের দাবিতে স্কুল ও এলাকায় বিক্ষোভ করতে থাকে। তবে স্কুল ছাত্রী খালেদা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে।

 

স/আর