সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় কুরস্ক অঞ্চলের আরো দুটি গ্রাম পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে রাশিয়ার মন্ত্রণালয় বলেছে, সুদঝা শহরের পশ্চিম ও উত্তরের রুবানশ্চিনা ও জোওলেশেঙ্কা গ্রাম পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। খবর বিবিসির।
গত আগস্টে রাশিয়ার কুরস্কে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে ১০০টি বসতি নিয়ন্ত্রণে নেয় ইউক্রেন।

এর পর থেকে অঞ্চলটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে ওঠে মস্কো। এরই ধারাবাহিকতায় কুরস্কে অভিযান জোরদার করেছে ক্রেমলিন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো কুরস্ক অঞ্চল পুনরুদ্ধারের দ্বারপ্রান্তে আছে রাশিয়া। গত এক সপ্তাহে ৩০টির বেশি বসতি উদ্ধার করেছে রুশ বাহিনী।
এখন ইউক্রেন সীমান্তের কাছে আর মাত্র ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা উদ্ধার করা বাকি আছে।
এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ভয়ানক, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত থামার সম্ভাবনা আছে।
এ ছাড়া রাশিয়ার কুরস্কে প্রবেশ করা ইউক্রেনীয় সেনাদের রুশ সেনারা ঘিরে ফেলেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।
তবে পুতিন যেন তাদের হত্যা না করেন সে জন্য তিনি ‘অনুরোধ’ জানিয়েছেন।
তবে মাইকেল কোফম্যান নামের এক সামরিক বিশ্লেষক ট্রাম্পের এ দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কুরস্ক থেকে ইউক্রেনীয় সেনারা নিজ থেকেই সরে যাচ্ছেন। সেখানে তাঁরা অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতে পড়েননি। যদিও সরে যাওয়ার সময় কিছু সেনা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ছেন। কিন্তু গণহারে রুশ সেনারা তাদের ঘিরে ধরেছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইউক্রেনের এক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সাত মাস পর আমরা শুধু সরে যাচ্ছি। সেখানে কোনো অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি।’
এদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের আলোচনার এক দিন না যেতেই রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়া বলেছে, তারা ১২৬টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন বলেছে, রাশিয়া ১৭৮টি ড্রোন ইউক্রেনে নিক্ষেপ করেছে, যার মধ্যে ১৩০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ









