

আফগানিস্তানের রাজধানীতে অবস্থিত কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সন্ত্রাসীর গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত ২২ জন মারাত্মক আহত হয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূখপাত্র তারিক আরিয়ান সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির পর হামলা শেষ হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত আছেন আরও ২২ জন। হামলাকারী ছিল মোট তিনজন। তাদের একজন গোলাগুলির সময় মারা গেছে। বাকি দু’জনকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।’ নিহতদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে কাবুল পুলিশের মূখপাত্র।
আফগানিস্তানের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মূখপাত্র হামিদ ওবায়েদি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ইরানিয়ান বইমেলার আয়োজন করা হয়েছিল। ওই মেলা উদ্বোধন করতে সরকারি লোকজন আসা শুর করতেই গোলাগুলি শুরু হয়। গোলাগুলি শুরু হতেই শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা ক্যাম্পাসের দেয়াল টপকে পালানোর চেষ্টা করেন এবং চিৎকার করতে থাকেন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শিক্ষার্থীদের জটলা দেখে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ফারিদুন আহমাদি জানান, তারা ক্লাস করছিলেন। ওই সময় গুলির শব্দ শুনতে পান। অনেককে পালাতেও দেখেন তারা। এ ঘটনায় তারা ভয় পেয়ে যান।
তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের এই হামলার সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত নয়। তবে গেল কয়েক বছর ধরে আফগানিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আইএসের হামলার নজির আছে। গত বছর কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের ঠিক বাইরে এক বোমা হালমায় নিহত হয়েছিলেন আটজন।
সূত্র: সমকাল









