সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছে গতকাল। আর আজ দুঃসংবাদ শুনতে হলো অফ স্পিনার আলিস আল ইসলামকে।
শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা। এখন তাকে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে।
আইসিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বুধবার (২১ অক্টোবর) শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে আলিসের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে হয়েছে ম্যাচ অফিশিয়ালদের। ২৯ বছর বয়সী এই অফ স্পিনারকে এখন আইসিসির স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষায় কোনো বোলারের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হলে তাকে বোলিং থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। অ্যাকশনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে পুনরায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল তিনি আবার বোলিং করতে পারেন।
এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুবার আলিস আল ইসলামের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ২০১৯ সালে নিজের বিপিএল অভিষেকেই প্রশ্ন উঠলে তিনি অ্যাকশন শুধরে ফিরে আসেন।
২০২৫ বিপিএলেও তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ হয়। এ দফায়ও তিনি উতরে যান।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বোলারের হাত কাঁধের সমান্তরালে আসার পর থেকে বল ছাড়ার আগ পর্যন্ত কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি প্রসারিত হলে সেই বোলিং অ্যাকশন অবৈধ বলে গণ্য হয়।
মাঠে ম্যাচ অফিশিয়ালরা তাদের অভিজ্ঞতা ও খালি চোখে পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে কোনো বোলারের অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে পারেন। এরপর সংশ্লিষ্ট বোলারের অ্যাকশন পরীক্ষা করা হয় আইসিসির স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে।
সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবদেহের নড়াচড়া নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা করে অ্যাকশনের বৈধতা নির্ধারণ করা হয়।









