নিজস্ব প্রতিবেদক:
বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট হলো লাল মাটি। এই লাল মাটি নিয়ে এক যুগ আগেও বিপাকে ছিলেন কৃষকরা। উঁচু-নিচু টিলার মতো ভূমিতে এক যুগ আগেও শুধুমাত্র ধান ছাড়া তেমন কোনো ফসল বা ফলচাষ ভালো হয় না বলে ধারণা ছিল কৃষকদের। বোরো ধানচাষ করতে গিয়ে প্রচুর পানির ব্যবহারের ফলে ক্রমেই পানির স্তর নামতে নামতে এখনো সুষ্ক মৌসুমে মরুভূমির মতো খাঁ খাঁ হয়ে উঠে বরেন্দ্র অঞ্চল। তবে সেই ধারণা পাল্টে দিয়ে রাজশাহী অঞ্চলে এখন যেন ফলছে সোনার ফল আম। রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের, শিবগঞ্জ, নাচোল, গোমস্তাপুর, নওগাঁ জেলার সাপাহার, নিয়ামতপুর, মহাদেবপুর, পোরশা উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় গড়ে উঠেছে শত শত একর জমিতে আমবাগান। ছোট-বড়, বিঘাকে বিঘা আম বাগান। এসব আমবাগানে কপাল খুলেছে হাজার মানুষের। একেবাওে শূন্য থেকেও কেউ হয়েছেন কোটিপতি।
তেমনি একজন হলেন, নওগাঁর পোরশা উপজেলার সাওর গ্রামের হুমায়ন আলী। বড় ভাই আবু বাক্কারের দেখা-দেখি তিনিও বছর দশেক আগে প্রায় ৯ বিঘা জমিতে আম্রপালি জাতের আমচাষ শুরু করেন। এই নয় বিঘা জমিতে এক সময়ে শুধুমাত্র বছরে একবার ধানচাষ করতে পারতেন তিনি। সেই ধান থেকে কোনোমতে খরচ উঠতো অথবা বছর শেষে কিছু টাকা লোকসানও হতো। কিন্তু সেই জমিতে আম্রপালি জাতের আমচাষ করে মাত্র দুই বছর পরেই লাখ টাকার আম বিক্রি করেন হুমায়ন। এ বছরেও অন্তত ৫-৭ লাখ টাকার আম বিক্রি হবে দাবি করেন তিনি। গত প্রায় ৮ বছর ধরে তিনি এভাবে আমের টাকায় সংসার চালাচ্ছেন।

শুধু হুমায়নই নন, রাজশাহী অঞ্চলে এমন শত শত বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে এই আমগাবান। আর চলতি আমের মৌসুমে আমকেন্দ্রীক হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
রাজশাহী জেলা সদর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে গোদাগাড়ী-সাপাহার রাস্তার ধারে সাওর গ্রামেই হুমায়ন আলীর আমবাগানটিতে গিয়ে দেখা যায়, গোটা বাগানজুড়ে আমগাছে ভরে আছে। বাগানে পানি সেঁচের জন্য একটি গভীর টিউবওয়েলও বসিয়েছেন তিনি। মোটর দিয়ে সেই টিউবয়েল থেকে পানি উত্তোলন করে সুষ্ক মৌসুমে পানি সেঁচও দেন বাগানে। তবে এখন আর তেমন পানির প্রয়োজন হচ্ছে। এর ওপর এবার গত মার্চ থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে আমের আকারও এবার বড় হয়েছে বলে জানান এ কৃষক।
গোদাগাড়ীর রিষিকুল এলাকার আমচাষি আনছার আলী জানালেন, ‘৮-১০ বছর আগেও যেখানে এক বিঘা জমি থেকে কৃষক পেতেন বড় জোর ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার ধান। সেখানে এখন তারা প্রতি বিঘা জমি থেকে বছরে আম বিক্রি করেই পাচ্ছেন ৫০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা। আমের কারণেই বর্তমানে এই এলাকার মানুষের মুখে ফুটে উঠেছে হাসি। অনেকেই জমি আমচাষের জন্য বর্গা দিয়েই বছরে লাখ টাকা আয় করছেন। বিঘাপ্রতি এখন ২০-৩০ হাজার টাকা হারে জমি বর্গা নিয়ে আমচাষিরা আমচাষ করছেন।
গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট এলাকায় প্রায় ৫৫ বিঘা জমিতে আমের বাগান করেছেন সরকারি চাকরিজীবী সোহেল রানা। তিনি বলেন, ৫ বছর আগে আম্রপালি ও বারি ফোর জাতের আমের চারা রোপন করেছিলাম। গত বছর প্রায় ১১ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছি। এবার বিক্রি করেছি ২২ লাখ টাকার। আমসহ বাগান বিক্রি করে করে দিয়েছি। ব্যবসায়ীরা আম পেড়ে নিয়ে চলে যাবেন। আম পাড়া শেষ হলে আমি আবার পরিচর্যা করে আগামী বছরের জন্য প্রস্তুতি নিব। আগামী বছর ৪০ লাখ টাকার কাছাকাছি আম বিক্রি হবে বলে আশা করছি।’
সাপাহার উপজেলা সদর এলাকার মানিকুড়া গ্রামের জাহির মন্ডলের ছেলে এনামুল হকের পরিবারটি ছিলো একসময় হতদরিদ্র। তাদের নিজস্ব কোনো জমা জমিও নেই। ২০১৪ সালে ৮ হাজার টাকা বিঘা হারে অন্যের ৫ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে সেই জমিতে আমবাগান তৈরী করেন এনামুল। এর পর সেই বাগানে হাড় ভাঙ্গা খাটুনী খেটে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেন তিনি। দুই বছর পরেই সেই জমি থেকেই প্রায় তিন লাখ টাকা আয় করেন তিনি। এরপর ক্রমেই জমি বর্গা নিয়ে আমবাগানের পরিমাণ বাড়াতে থাকেন এনামুল। এখন তিনি যেন জিরো থেকে হিরোতে পরিণত হয়েছেন। এলাকায় তিনি কোটিপতি নামে পরিচত। বর্তমানে প্রায় ৪০০ বিঘা জমিতে রয়েছে তার আমগান। প্রতিবছর সেই বাগান হতে বছরে অন্তত ১৪হাজার মণ আম উৎপাদন হচ্ছে তাঁর। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা। আমচাষ করেই এককালের দিনমজুর এনামুল হক এখন কোটিপতি।
এনামুল বলেন, এখন আমার আমবাগানেই প্রতিদিন অন্তত ৬০ জন শ্রমিক কাজ করে। আমাকেও আর পরের জমিতে কাজ করতে হয় না। আমার জমিতে কাজ করেও অনেকেই সাবলম্বি হচ্ছেন।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের আমচাষি ফরহাদ উদ্দিন জানালেন, ‘বাপ-দাদার আমল থেকেই আম চাষ করেন তাঁরা। তবে গত প্রায় ১০ বছর ধরে এখন আরো বেশি করছেন। তাঁর নিজের বাগানই আছে ৩০ বিঘা জমিতে। অপর দুই ভাইয়ের আছে আরও প্রায় ৪০ বিঘা। অথচ তাদের বাপের ছিল ১৫ বিঘা জমিতে আম বাগান। বছরে আম বিক্রি করেই অন্তত ৩০ লাখ টাকা আয় করেন ফরহাদ উদ্দিন। এর মধ্যে জমি বর্গাসহ বিভিন্ন খাতে খরচ হয় অন্তত ১৩ লাখ টাকা। বাকি টাকা লাভ থাকে।’
এদিকে, আমচাষি থেকে শুরু করে এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, আম ব্যবসায়ী, দিনমজুর, চুক্তিভিত্তিক মজুর, কীটনাশক ব্যবসায়ী, পরিবহণ শ্রমিক, কুরিয়ার ব্যবসায়ী, ট্রাক শ্রমিক-মালিক, কুলি, হাটের ইজারাদার, আমের দোকানের কর্মচারীসহ আরও বিভিন্ন ধাপের মানুষ। এই সময়ে আমকেন্দ্রীক এসব মানুষের মধ্যে অনেকের ভাগ্যের চাকাও বদলে যায়। বিশেষ করে আম চাষি ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা প্রতি বছর এই সময়ে মোটা অংকের অর্থ পকেটে পুরতে পারেন। এতে অনেকেই নতুন করে স্বপ্ন দেখাও শুরু করেন। সেই স্বপ্ন থেকে অনেকেই আবার নতুন করে বাগান বৃদ্ধি করেন। আবার কেউ কেউ সেই অর্থ দিয়ে বাড়ি-গাড়িও করেন।
দেশের মধ্যে রাজশাহী অঞ্চলের আমের যেন জুড়ি নেই। এই অঞ্চলের আমের মধ্যে সবচেয়ে আগে নামে রাজশাহীর আম। গত ১৫ মে থেকে এ জেলায় আমপাড়া শুরু হয়েছে। সোনার ফল আম কৃষকরা রাত-দিন এখন আমের বাগানে সময় কাটাচ্ছেন। দিনে কেউ আম পেড়ে বাজারজাতসহ নানাকাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবার কেউ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাতে আমের বাগান পাহারা দিচ্ছেন শ্রমিকরা। রাজশাহীর সর্ববৃহৎ আমের বাজার হলো পুঠিয়ার বানেশ^রে। এ বাজাওে এখন প্রতিদিন গড়ে অন্তত ২০ ট্রাক আম কেনা-বেচা হচ্ছে। এর বাইরে জেলার বিভিন্ন বাজার ও মোড়ে মোড়েও আমের বেচা-বিক্রি জমে উঠেছে। রাজশাহীর পরেই শুরু হয় চাঁপাইবনাবগঞ্জের আমপাড়া। এরপর নওগাঁয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট, সাপাহার, নিয়ামতপুর, মহাদেবপুর, পোরশায় বৃহৎ বাজার বসে আমের। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলায় সবমিলিয়ে এ বছর আম চাষ হয়েছে ৮৭ হাজার ৩০৭ হেক্টর জমিতে। এখান থেকে প্রায় ১০ লাখ টন আম উৎপাদন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে কৃষি বিভাগ। যা থেকে আয় হবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। যা অতিতের সব রেকর্ড ভাঙবে এবার। আম বাজারজাত শুরু হওয়ায় এরই মধ্যে এ অঞ্চলের অর্থনীতিও চাঙ্গা হতে শুরু করেছে বলেও দাবি করেন অর্থনীতিবিদরা।
তারা আরও বলছে, রাজশাহী অঞ্চলে গত ১০ বছর আগেও আমচাষ ছিল ৩০ হাজার হেক্টরের নিচে। গত প্রায় এক যুগ ধরে এই অঞ্চলে আমচাষ বাড়তে থাকে। এখন আমচাষে যেন বিপ্লব এনেছেন কৃষকরা। বারি-৪, বারি-১৩, বারি-১১, আম্রপালি, ব্যানানা, বারোমাসি কাঠিমণসহ উচ্চ ফলনশীল নানা জাতের আমচাষ হচ্ছে এখন। পাশাপাশি দেশি জাতের গোপাল ভোগ, লক্ষণভোগ, হিমসাগর, ফজলি, আশিনা, রানি প্রসাদ বা রানী পছন্দ, গৌড়মতি, গুটি বা আঁঠিসহ নানা জাতের আমও চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে তুলনামূলক হারে বেশি চাষ হচ্ছে আম্রপালি জাতের আম। এ আম প্রচুর মিষ্টি, আঁশ না থাকা এবং ফলন বেশি হওয়ায় রাজশাহী অঞ্চলের কৃষকরা গত ১৫-২০ বছর ধরে চাষ শুরু করেন। এমন কৃষক আছেন একাই দেড়-দুইশ বিঘা জমিতে এ আমের চাষ করেছেন। এর পর একসঙ্গে শত বিঘা জমিতে চাষ হচ্ছে বারি-৪ জাতের আম। আমপ্রালির পরে একেবারে শেষদিকে ফজলির পাশাপাশি সময়ে বাজারে আসে এ আম। ফলে দামও ভালো পাওয়া যায়।
এদিকে, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উপপরিচালক উম্মে সালমা বলছিলেন, এ বছর জেলায় ১৯ হাজার ৬০৩ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। এখান থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ২ লাখ ৬০ টন। আশ করছি, চাষিরা এবার আমের ফলন ভালো পাবেন। এ আম থেকে এবার অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা আয় হবে চাষিদের।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানচ্ছিলেন, এ বছর জেলায় ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমচাষ হয়েছে। এবার ৩ লাখ ৮৭ হাজার টন আমের উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। এ হিসাবে এ বছর নওগাঁ থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার আম বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী বরছিলেন, এ জেলায় ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমিতে নানা জাতের আমচাষ হয়েছে। চলতি বছর আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ২৯২ টন। এখান থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা আয় হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। গত ১০ বছরে প্রায় ১৩ হাজার ২৪৪ হেক্টর জমিতে আমচাষ বেড়েছে এ জেলায়।
জেলার আম গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোখলেসুর রহমান বলছিলেন, জেলার চাষিরা আমের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবছর প্রায় দুই থেকে তিন লাখ টন আম দেশের বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যকভাবে সরবরাহ করেন। এছাড়া কয়েক বছর ধরে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে এ জেলার আম। গত বছর জেলা থেকে এক হাজার ৩৩ টন আম রপ্তানী হয়েছে বিদেশের মাটিতে।
ইউরোপ-আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানির পর বৃহত্তর রাজশাহীর আম এবার যাবে চীনেও। গত বছর শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকেই এশিয়ার ১১টি দেশ, মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি এবং ইউরোপের সাতটি দেশে আম রপ্তানি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ এপ্রিল চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ আমদানিকারকরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের কয়েকটি আমবাগান পরিদর্শন করেছেন।
কৃষি সম্প্র্রসারণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী জানান, চলতি বছর এ জেলায় ৩৩৯ হেক্টর জমিতে ১২২ জন আমচাষি (উত্তম কৃষিচর্চা) মেনে রপ্তানিযোগ্য আমচাষ করেছেন। এখান থেকে বিপুল পরিমাণ আয় আসবে দেশে।
আমকেন্দ্রীক রাজশাহীর অর্থনীতির প্রভাব নিয়ে বলছিলেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল ওয়াদুদ। তাঁর মতে, প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের জন্য বড় ধরনের আর্থ-সামাজিক সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। যদি এই বিপুল অর্থের একটি বড় অংশ আমচাষিদের হাতে পৌঁছায় এবং তারা ন্যায্য মূল্য পায়, তাহলে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। চাষিরা তখন তাদের পরিবারে খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বাসস্থান খাতে আরও বেশি ব্যয় করতে পারবে, যা সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করবে।
তিনি আরো জানাচ্ছিলেন, আমচাষ কেন্দ্রিক মৌসুমি শ্রমিকদের কাজের সুযোগ বাড়বে। প্যাকেটজাতকরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, হিমাগার নির্মাণ ইত্যাদির মাধ্যমে নানা ধরণের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এতে শুধু আমচাষি নয়, সংশ্লিষ্ট খাতের হাজারো মানুষও উপকৃত হবেন। রাজশাহীর স্থানীয় বাজারে নগদ অর্থের প্রবাহ বাড়বে, ফলে ছোট ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, কৃষি উপকরণ বিক্রেতা ও অন্যান্য পেশাজীবীর আয়ও বাড়বে।
স/আর









