ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা গেল বছর অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। তাদের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে ঠেকে। বেড়ে যায় খাদ্য ও জ্বালানির দাম। বিক্ষোভকারী জনতা দেশটির তৎকালীন রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বাধ্য করে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পেয়েছে গত নয় মাসে শ্রীলঙ্কা ভাগ্যের কিছুটা উন্নতি ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। দেশটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে পুনরায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মজুত করতে থাকে।

চলতি বছর রুপির মান ২৪ শতাংশ বেড়েছে, যা সরকারকে ৬০টি প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম কমাতে সহায়তা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিস হৃদ রোগ উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেহেলিয়া রামবুকওয়েলা এই কথা জানান।
সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সংকটের চরম সময়ে আমাদের দাম বাড়াতে হয়েছিল। এর কোনো বিকল্প ছিল না। কিছু কিছু ওষুধের দাম ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের ঘাটতি ছিল। কিন্তু এখন মুদ্রার দাম বেড়েছে। তাই আমরা সেই সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।
শ্রীলঙ্কা এপ্রিলের ৩৫ দশমিক ৪ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা খরচ মে মাসে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশে নামিয়ে আনতে পেরেছে। তবে সরকারি উপাত্ত বলছে, গেল মাসে ২৫ দশমিক ২ শতাংশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেশি ছিল।









