আন্তর্জাতিক

ভারত মহাসাগরে চিনের ‘দাদাগিরি’ রুখতে বিশাল মহড়া ভারতীয় নৌবাহিনীর

নিউজ ডেস্ক২৮ জুন ২০২০২ মিনিট পড়া

ভারত মহাসাগরে চিন নিজেদের প্রতিপত্তি বাড়াচ্ছে। বারংবার দিল্লিকে সতর্ক করেছে ভারতীয় কূটনৈতিক মহল। শুধু ভারতের কূটনৈতিকমহলই, এই বিষয়ে পালটা সাবধানতা বজায় রাখার কথা বলেছে আমেরিকাও।

গত কয়েক মাস আগে দিল্লির অনুমতি না নিয়ে সম্প্রতি ঢুকে পড়েছিল ‘শি ইয়ান ১’ নামে একটি চিনা জাহাজ। পিছু তাড়া করে নৌবাহিনী সেটিকে এলাকাছাড়া করেছে। মাসখানেক আগে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছিলেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং।

তিনি জানান, ভারত মহাসাগরে প্রতিদিন নিজেদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে চিন। বিভিন্ন সময়ে আচমকা ঢুকে পড়ছে চিনা জাহাজ। ভারতের সীমানা লঙ্ঘন করে বহু সময়ে ঢুকে পড়ছে যুদ্ধজাহাজও। শুধু সাগরের উপরেই নয়। মহাসাগরের নীচেও গোপনে ঢুকে পড়ছে চিনের সাবমেরিন। ভারত মহাসাগরের অর্থনৈতিক জোনের কাছাকাছি এলাকায় গড়ে সাত থেকে আটটি চিনা জাহাজ ঘোরাফেরা করছে। ভারত সেগুলির উপস্থিতি বিলক্ষণ জানে এবং সেইগুলির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

করমবীর বলেন, ‘২০০৮ সাল থেকেই ভারত মহাসাগরে উত্তরোত্তর চিনের উপস্থিতি বাড়ছে। আমরা এই বিষয়ে তীক্ষ্ণ নজর রাখছি।’ এতো গেল গত কয়েকমাস আগের ঘটনা! সম্প্রতি লাদাখে মুখোমুখি ভারত এবং চিনের সেনাবাহিনী। যে কোনও পরিস্থিতিতে ঘটে যেতে পারে বড় কোনও ‘দুর্ঘটনা’। আর এই পরিস্থিতিতে ভারত মহাসাগরে ফের একবার নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করল ভারতীয় নৌবাহিনী।

জাপান নৌবাহিনীর সঙ্গে বিশাল এই মহড়া চালাল ভারতীয় নৌবাহিনী। একদিকে ভারত মহাসাগরে চিনের দাদাগিরিকে এই মহড়ার মাধ্যমে কড়া বার্তা দেওয়া গেল! অন্যদিকে, লাদাখ ইস্যুতে যখন ব্যাপক উত্তেজনা দু’দেশের মধ্যে তখন এই মহড়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

শনিবার ভারত মহাসাগরে ভারত ও জাপানের দু’টি করে মোট চারটি যুদ্ধ জাহাজ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। ভারতের তরফে ছিল আইএনএস রানা ও আইএনএস কুলিশ। জাপানের তরফে ছিল জেএস কাশিমা ও জেএস সিমাইুকি। প্রসঙ্গত, রবিবার টুইট করে জাপানের তরফে এই মহড়ার কথা জানানো হয়। এ নিয়ে গত তিনবছরে যৌথভাবে মোট ১৫টি মহড়া হল বলে খবর মিলেছে। সূত্র: কলকাতা 24

ট্যাগ: