নিজস্ব প্রতিবেদক:
আশ্বিন মাসের ২৬ তারিখ আজ। রাজশাহীর আবওয়ায় উঁকি মারছে শীতের আবহ। তবে মাঝে কয়দিন প্রখর রোদ আর গরম থাকায় শীতের তেমন যেন ভাবলেশ ছিল না। কিন্তু গত দুদিন ধরে রাজশাহীতে অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে শীত যেন এখনো উঁকি-খুঁকি মারছে।

- বিশেষ করে সোমবার দিবগাত গভীর রাতের বৃষ্টি শীতের আগমণ জানান দিচ্ছে রাজশাহীবাসীকে। কিন্তু ওই বৃষ্টিতে রাজশাহীজুড়ে ব্যাপক জলাবদ্ধতারও সৃষ্টি হয়। পানিতে ডুবে যায় নগরীর অধিকাংশ রাস্তাগুলো। এমনকি বাড়ি-ঘরের কোথাও কোথাও হাঁটু পানি জমে যায়। আর তাতেই মানুষের মাঝে ব্যাপক দুর্ভোগ নেমে আসে। যা মঙ্গলবার সকালেও অব্যাহত থাকে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক আফরোজা খাতুন সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, নগরীতে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয় রাত ১২ টা ৫০ মিনিটের দিক থেকে। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজশাহীতে ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। অল্প সময়ের মধ্যে এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রের্কড এটি।
- এদিকে বৃষ্টিপাতের পর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, কাদিরগঞ্জ, নিউ মাকের্ট, উপশহর, দরিখরবোনা, লক্ষীপুর, কাদিরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় প্রায় হাটু সমান পানি। সাহেব বাজারের বিভিন্ন হোটেলগুলোতে পানি ঢুকে পড়েছে। রাস্তায় চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মানুষদের। বৃষ্টিপাতের দীর্ঘ সময় পর সাড়ে ৯টার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকার পানি নেমে যায়। তবে এখনো কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতা রয়েছে।

নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকার বাসীন্দা হযরত আলী বলেন, ‘এখন একটু মশুলধারে বৃষ্টি হলেই নগরীত জমে হাঁটু পানি। মানুষের ভোগান্তিও বাড়ে। সেখানে সোমবার গভীর রাতের ব্যাপক বৃষ্টিতে আরো ভোগান্তি বাড়ে সাধারণ মানুষের। আমাদের ঘর-বাড়িতেও পানি উঠে যায়।’
- রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্হিবিভাগের সামনে জমে হাঁটু পানি। এছাড়াও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোও পানিতে ডুবে যায়।
এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক বলেন, নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা অনেক ভালো। ফলে দীর্ঘ সময়ের জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টি ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সব পানি নেমে যাবে।
স/আর









