নিজস্ব প্রতিবেদক:
শনিবার রাজধানীর আজিমপুরে নিহত জঙ্গি করিমের পরিচয় জানিয়েছে পুলিশ। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুযায়ী তার আসল নাম মো. শমসের উদ্দিন। পিতার নাম মোসলেহ উদ্দিন। বাড়ি রাজশাহীর বোয়ালিয়ার মেহেরচণ্ডীতে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু রোববার সকালে এ তথ্য পাওয়ার পর রাজশাহীর মেহেরচণ্ডী ও আশপাশের এলাকায় অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত বাড়ি বা তার স্বজনদের কারও সন্ধান পায়নি পুলিশ।
রোববার রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মূখপাত্র ও রাজপাড়া থানা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতে খায়ের আলম সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, আমরা বিষয়টা শুনেছি। তবে সঠিক ভাবে জানা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাম ঠিকানা জানা চেষ্টা করছে। তবে সকাল থেকে রাত গড়িয়ে গেলেও তার কোন হদিস পায়নি পুলিশ।
সিটিটিসি মতে, শমসের উদ্দিনের সাংগঠনিক নাম আবদুল করিম। এনআইডিতে তার ঠিকানার জায়গায় লেখা, ৬৩০ নম্বর সিটি করপোরেশন, বোয়ালিয়া, রাজশাহী। শমসের উদ্দিনের এনআইডি নম্বর- ৮১৯২২২৬৩৩৯১৫৩।
এনআইডি তথ্য ভূল বলে ইফতে খায়ের আলম বলেন, বিভ্রান্ত করার জন্য জঙ্গিরা সব সময় ছদ্মনাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে থাকে। তার ক্ষেত্রেও এমনটিই ঘটে থাকতে পারে। এর আগেও নিহত এক জঙ্গির ঠিকানায় রাজশাহীর নাম ব্যবহার করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, জঙ্গিরা নানা কৌশল অবলম্বন করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন জেলার ঠিকানা ব্যবহার করছে। বিভিন্ন সোর্স থেকে পুলিশ এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে। কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা গণমাধ্যমে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় শনিবার পুলিশি অভিযানে যার মরদেহ উদ্ধার করা হয় তার নাম জানানো হয়েছিল করিম। জঙ্গি করিম আত্মহত্যা করেছিল বলে দাবি করেছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন। এর আগে ধারণা করা হয়েছিল, পুলিশের অভিযানে ওই জঙ্গি নিহত হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শমসের উদ্দিনের ১৪ বছর বয়সী ছেলে ধানমণ্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলে লেভেল এইটে পড়ে। সে পুলিশকে জানিয়েছিল, তারা বাবা-মা ঘন ঘন বাসা চেঞ্জ করতো। বারিধারা (বসুন্ধরা) থেকে রূপনগর, সেখান থেকে কল্যাণপুর, তারপর আজিমপুরে আসে তারা।
স/শ









