হল আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মনিরুল ইসলাম রাজন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফের ডটকমকে বলেন, “আগামীকাল আমরা সর্বাত্মক ধর্মঘট করব। এরপর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”
নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পরিত্যক্ত জায়গা হল নির্মাণের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে বরাদ্দ দেওয়ার দাবিতে ২ আগস্ট থেকে ক্যাম্পাসে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আন্দোলনকারীরা বুধবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের জন্য ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে বের হন।
কিন্তু পুলিশের বাধায় প্রেসক্লাবের সামনেই জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের মিছিল থমকে যায়।
এরপর সেখানে অবস্থান নিয়েই তারা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং ধর্মঘটের ঘোষণা আসে।আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রাইসুল ইসলাম নয়ন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পুলিশের বাধার কারণে আমরা মন্ত্রণালয় ঘেরাও করতে পারিনি। তারা জলকামান নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল। আমাদের আশ্বস্ত না করা পর্যন্ত আমরা রাস্তা ছাড়ব না।”
বেলা সোয়া ১টা পর্যন্ত কয়েকশ শিক্ষার্থী প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে থাকলে ওই সড়কে যানজট দেখা দেয়। পরে ধর্মঘট ডেকে অবস্থান থেকে সরে যান শিক্ষার্থীরা।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এই কর্মসূচিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেহরাব আজাদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাতি সরদার আল আমিন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বিডিনিউজ









