অপরাধ ও দুর্নীতি

তামিম, মারজান ছাড়া আরও ৭-৮ জন শনাক্ত

নিউজ ডেস্ক১৬ আগস্ট ২০১৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, গুলশান হামলার ঘটনায় তামিম, মারজান ছাড়া আর সাত-আটজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মনিরুল ইসলাম বলেন, এই সাত-আটজনের সাংগঠনিক নাম পাওয়া গেছে। তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। গুলশান হামলায় তাদের বিভিন্ন ধরনের ভূমিকা রাখার তথ্য পাওয়া গেছে। তারা সবাই দেশের ভেতরেই আছে। তবে তাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়নি, ছবিও পাওয়া যায়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে কাউন্টার টেররিজমের প্রধান বলেন, পুলিশের তরফ থেকে গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী মারজানের ছবি প্রকাশ করে প্রাথমিক সাফল্য পাওয়া গেছে। মারজানের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কিছুদিন আগে তাকে চট্টগ্রাম এলাকায় দেখা গিয়েছিল বলে পুলিশের ‘হ্যালো সিটি’ অ্যাপে মানুষ তথ্য দিয়েছে।

সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাম উঠে আসা তামিম চৌধুরী ও জিয়াউল হক গ্রেপ্তার আছেন কি না—জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, গুলশান হামলার ঘটনায় শুধু হাসনাত রেজা করিম গ্রেপ্তার আছেন। তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তামিম ও জিয়া কোথায় আছে বা তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা জানা নেই।

হাসনাত করিমের জড়িত থাকার বিষয়ে কীভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ? এমন প্রশ্নের জবাবে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান বলেন, হাসনাত করিমের পূর্ব ইতিহাস, জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর জড়িত থাকা, ঘটনাস্থলে তাঁর উপস্থিতি, তাঁর কিছু ছবি দেখে এমনটা মনে হয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া ও বর্তমানে পুলিশের রিমান্ডে থাকা তাহমিদ খান সম্পর্কে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তাঁর সম্পর্কে এখনো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাঁর দ্বিতীয় দফা রিমান্ড চলছে।

গুলশান হামলার ঘটনায় মারজানের দায়িত্ব কী ছিল? এ সম্পর্কে জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, মারজানকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। গ্রেপ্তার করলে এ ব্যাপারে জানা যাবে।

গুলশান হামলার ঘটনায় যেসব জঙ্গি মারা গেছে, তাদের সঙ্গে তামিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ডিভাইসগুলো পরীক্ষাগারে আছে। এ ব্যাপারে প্রতিবেদন পাওয়া গেলে যোগাযোগ সম্পর্কে জানা যাবে।

সূত্র: প্রথম আলো