নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীর বাগমারায় এখনো জঙ্গী সংগঠন জেএমবি ক্যাডারদের দাপট কমেনি। অভিযোগ ওঠেছে, কয়েকজন সংঘবদ্ধ ক্যাডার বাহিনী উপজেলার বিলশনি এলাকায় সরকারি খাস জমি এবং বিলের ভেতরে দিঘী খনন করে অবৈধ দখল করে লক্ষ লক্ষ টাকার সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎ করছে। গত ২৭ জুলাই উপজেলার উত্তর ফুলপুর গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রাক্তন ইউপি সদস্য আবুল হোসেন প্রধানমন্ত্রী বরাবরে লিখিত এই অভিযাগ করে হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ভাইয়ের অর্থদাতা ও মদদদাতা মৃত রাজাকার কছিমুদ্দীনের পুত্র আজাহারুল হক, মোজারুল হক ও রইদুল, মৃত নমির পুত্র আকবর, মৃত জান বকসের পুত্র জামাল গ্রাম সোনাডাঙ্গা, মৃত আসমতের পুত্র ছেকেন্দার ও কাশেম রাজশাহীর গণমৌজা বিলশনি সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে।
এরমধ্যে আজহারুল হক সরকারী ৫/৭ বিঘা খাস জমিতে বোরধান রোপন করে ভোগদখল করছে। দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বিল দখল কওে লেজার মেশিন দিয়ে সরকারী সম্পত্তির উপর দিঘী খণন করে মাছ চাষ শুরু করেছে। তারা প্রতিবছর ১৫ লক্ষ টাকার মাছ বিক্রি করে। যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

এমতাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক, এডিসি ভূমিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অনুলিপি প্রেরণ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রাক্তন ইউপি সদস্য আবুল হোসেন।
প্রাক্তন ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, মূলত এসব চিহ্নিত জেএমবি ক্যাডারদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তাদের স্বাক্ষর সম্মলিত অভিযোগ সুবিচারের জন্য প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
স/আর









