নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী কোর্ট হাজত থেকে মাদক মামলার এক আসামি পালানোর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাত নয়টার দিকে কোর্ট পুলিশের এটিএসআই মমিন আজাদ বাদী হয়ে পলাতক আসামি মকলেছুরকে একমাত্র আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

- সরকারি কাজে বাধাদানসহ রাষ্ট্রবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। এছাড়াও ঘটনার সময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে দুইজন পিএসআই (শিক্ষানবিশ উপপরিদর্শক) ও দু’জন কনস্টেবলকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে রবিবার বিকেলে কোর্ট হাজত থেকে মকলেছুর রমান নামের ওই আসামি পালিয়ে যান। তার বাড়ি পবার জাঙ্গালপাড়া গ্রামে।
এরপর সন্ধ্যায় কোট পরিদর্শক খুরশিদা আক্তার কনা সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, আসামি অসাবধানতাবশত পালিয়ে গেছে। তবে তাকে সন্ধ্যার দিকে আবারো গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে পালিয়ে তার এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলে। এসময় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে কোর্ট হাজতে নিয়ে আসা হচ্ছে।’
পুলিশের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ঘটনাটি আড়াল করতেই কোট পরিদর্শক আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি করেন। তবে রবিবার রাত ১১টা পর্যন্ত পলাতক ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এর আগেই আসামি মকলেছুর রহমানকে আসামি করে পুনরায় আরেকটি মামলা করে পুলিশ।
রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মতিয়ার রহমান সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী হাটের বিজয়নগর পাম্প এলাকা থেকে১০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মকলেছুর রহমান (৪০) ও কাউসার আলীকে (২০) আটক করে। মকলেছ পবা উপজেলা জাঙ্গালপাড়া গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে এবং কাউসার সোনায়কান্দি এলাকার বোদির ছেলে।
- ওসি আরো বলেন, ইয়াবাসহ আটক ওই দুই মাদক ব্যবসায়ীরা নামের মাদক দ্রব্য আইনে রবিবার সকালে পবা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এরপর তাদের কোর্ট পুলিশের কাছে পাঠানো হয়। সেখান থেকেই নিয়ম অনুযায়ী আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করার কথা ছিল। কিন্তু কোর্ট পুলিশের নিকট থেকে আসামি মকলেছুর পালিয়ে যায়।
আদালত সূত্র জানায়, বিকেল তিনটার দিকে ওই আসামিকে কোর্ট হাজতে ঢুকানোর সময় সে পালিয়ে যায়। এরপর তাকে ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ।
পবা থানার ওসি শরিফুল ইসলাম সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, জেলা ডিবি পুলিশ মাদক মামলায় ওই আসামিকে আটক করে কোর্ট হাজতে পাঠায়। সেখান থেকে আসামি পালিয়ে যায়। আসামি কোর্টে পাঠানোর আগে পবা থানায় মামলাটি হস্তান্তর করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
স/আর









