নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীতে মশার অসহনীয় উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। গত ১৪ মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
সরকারি তথ্যমতে, একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭২০ জন। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে মশার প্রজনন বাড়ায় নগরীর অলিগলি থেকে বাসাবাড়ি—সব জায়গাতেই বেড়েছে মশার উপদ্রব। এতে নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, এখনই সচেতন না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
আজিজুল হক আজাদ, মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ বলেন, “মশার কামড় থেকে বাঁচতে ব্যক্তিগত সচেতনতা জরুরি। তবে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমাতে মশা নিধনের বিকল্প নেই। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
এদিকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে, মশা নিধনে তাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মামুন ডলার বলেন, “ফগার মেশিনে উড়ন্ত মশা সেভাবে মারা যায় না, বরং অনেক উপকারী পতঙ্গ মারা যায়। তাই আমরা ড্রেনগুলোতে নিয়মিত লার্ভিসাইড প্রয়োগ করে মশার বংশবিস্তার রোধে কাজ করছি।”
নগর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমে থাকতে না দেওয়ার জন্য নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।









