নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে একের পর এক মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ডেকে নিয়ে ফাঁদ পাতছে এক শ্রেণির প্রতারক চক্র।

এদের প্রধান হাতিয়ার হলো জোর করে বা কৌশলে ভিডিও ধারণ করে সেটি দিয়েই ব্ল্যাক মেইলিং করা। আর এই চক্রটির ডাল-পালা একন ক্রমশই বিস্তার লাভ করে চলেছে। কয়েকটি চক্র গড়ে উটেছে মোবাইল মিসকল দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে যুবকদের বা টাকা-পয়শাওয়ালা রোকদের সঙ্গে।
এরপর তাদের সঙ্গে দেকা করার নাম করে বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। বাড়িতে ডেকে নিয়েই কৌশলে বা ানেকটা জোর করে ধারণ করা হয় অশ্লীল ভিডিও। সেই ভিডিওটিও কাজে লাগানো হয় মুক্তিপণ আদায়ের ক্ষেত্রে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজশাহী শহরে গত প্রায় ৪ বছর ধরে এই চক্রটি কাজ করে যাচ্ছে। নগরীর নতুন বিলসিমলা এলাকা থেকে প্রতমে এই চক্রটি কাজ শুরু করে। এরপর নগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকা, উপশহর এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এই চক্রটি সাধারণ মানুষ ও যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করে যাচ্ছে।
এরই মধ্যে কয়েকজনকে র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটকও করেছে। তবুও থেমে নেই একের পর এক মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা। সর্বশেষ গত রবিবার সকালে র্যাব ওই চক্রের চার সদস্যকে আটক করে।
এরা হলো, নগরীর ডিঙাডোবা এলাকার আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী শোভা খাতুন (২৩), ভদ্রা এলাকার শহর আলীর ছেলে জাহিদ (৩০), শিরোইল এলাকার খালেক মাতবরের ছেলে আকবর আলী (১৮) এবং একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে ডলার (১৯)।
প্রেমের ফাঁদে ফেলে দেড় লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় তাদের কাছে জিম্মি থাকা আব্দুর রহিম নামের এক ব্যবসায়ীকে। তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে পরিবারের নিকট থেকে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পরে র্যাব খবর পেয়ে অপহৃত আব্দুর রহিমকে উদ্দার করে।
এভাবে শত শত লোক ও যুববকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করছে চক্রিটি।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মহানগর পুলিশের মূখ্যপাত্র ইফতে খায়ের আলম সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, এই ধরনের ঘটনা বেশকিছুদিন আগ থেকেই নগরীতে একের পর এক ঘটছে। তবে পুলিশ সচেতন আছে। চক্রটির সদস্যদের আটকও করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবে এই ঘটনাগুলোকে রোধ করা যাচ্ছে না।
স/আর









