জাতীয়

পদ্মা নদীতে নৌ পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ, ৫ পুলিশসহ আহত ৬

নিউজ ডেস্ক২২ এপ্রিল ২০২৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পদ্মা নদীতে টহল দেওয়ার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার নৌ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বহনকারী নৌকার মাঝিও গুলিতে আহত হন। গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুষ্টিয়ার হরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে টহলের সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য ইনামুল হক, শাহিনুর হক, নাজমুল হাসান ও মানিক মিয়া। তাঁরা সবাই একই নৌফাঁড়িতে কর্মরত। এ ছাড়া মাঝি তুহিন মালথা গুলিতে আহত হন। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত মানিক মিয়াকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত নৌকার মাঝি তুহিন মালথা বলেন, নিয়মিত টহলের সময় লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ ফাঁড়ির একটি দল পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া অংশের হরিপুর এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ‎

আহত লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা জানতে পারি, পদ্মা নদীতে কে বা কারা বালু উত্তোলন করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা সেখানে অভিযানে যাই। তাদের বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করি। তখন তারা আমাদের গুলিবর্ষণ করে। এতে আমরা পাঁচ পুলিশ সদস্য ও একজন নৌকার মাঝি গুলিতে আহত হয়েছেন। আমরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। পরবর্তীকালে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো: জামাল উদ্দিন বলেন, গুলিবিদ্ধ ৬ জনের মধ্যে ৫ জন পুলিশ সদস্য। ঘটনার পর রাত ২টার পরে খবর পেয়ে আমরা আহতদের উদ্ধারের জন্য বের হই এবং পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঘাট থেকে তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেই। সকলের কমবেশি গুলিতে আহত ছিল। পরে আহতদের পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।