নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহী নগরীর টিবিপুকুর এলাকায় পড়ে আছে নির্মাণকৃত ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালের ভবন।
২০২৩ সালে ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখন হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়নি। এ অবস্থায় অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হতে বসেছে হাসপাতালের সমস্ত মালামাল। গত ৫ আগস্টের পর স্থানীয় একটি বাহিনী ভবনটি দখলের চেষ্টা করেছিলেন। তবে ঠিকাদারদের লোকজনের বাধার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এ হাসপাতালটির নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ব্যবহার না হওয়া এরই মধ্যে ভবনের রংও উঠতে শুরু করেছে।

লাগানো এসিগুলো দুই বছর ধরে ব্যবহৃত না হওয়ায় নষ্ট হতে বসে। কক্ষের ভিতরে পড়ে আছে বিশালকার দামি দামি ফ্রিজ, ও জেনারেটরগুলো।
সূত্র মতে, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত শিশু রোগীর চাপ সামলাতে এবং বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা চালু করতেই ২০১৬ সালে হাসপাতালের পাশেই শিশু হাসপাতাল নির্মাণকাজ শুরু হয়। সেই কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জুনে।
রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন চিকিৎসক এস আই এম রাজিউল করিম বলেন, ‘সরকার এই শিশু হাসপাতালটি চালু করলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ কমবে। সেখানে শিশুদের চিকিৎসা হলে এখানে অন্যান্য রোগীর চিকিৎসাসেবার মানও বাড়ানো যাবে। আবার শিশু হাসপাতালে যদি শিশুদেরই চিকিৎসা দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেও সেবা ভালো পাবে তারা। কিন্তু নানা কারণে এ হাসপাতালটি এখনো চালু করা যাচ্ছে না।’









