রাজশাহী

নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ‘নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক২৪ জুলাই ২০২৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

উৎসবমুখর ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজশাহীর নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ‘নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টায় কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর কাজী রাশেদ করিম।

সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর কাজী রাশেদ করিম বলেন : বিবিএ পর্ব শেষে কেউ এমবিএ করবে, কেউ কর্মজীবনে প্রবেশ করবে।

তবে তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, সৎ ও যোগ্য মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে। জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাসী হবে এবং একে অপরের পাশে থাকবে।
তিনি আরও বলেন : নিজেদের আলোকিত করো, বিশ্বকে আলোকিত করো। নিরলস পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করো।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শিখা সরকার বলেন : ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়াশোনা করেছ, তাই তোমাদের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত।

শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবেও নিজেদের গড়ে তোলার চেষ্টা করবে।

বিশেষ অতিথি উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মতিউর রহমান বলেন : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা কোনো হতাশার বিষয় নয়। সঠিক লক্ষ্য ও পরিশ্রম থাকলে এখান থেকেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফলতা অর্জন করা সম্ভব।

সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল মতিন বলেন :

জীবনের স্বাভাবিক নিয়মেই একদিন সবাইকে বিদায় নিতে হয়। তোমাদের সংবর্ধনা দিতে পেরে আমরা গর্বিত। শিক্ষকেরা সবসময় বটবৃক্ষের ছায়ার মতো তোমাদের পাশে থাকবে।
এসময় সহযোগী অধ্যাপক মোছা. মাহফুজা ইয়াসমিন ও প্রভাষক সজীব আহমেদ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভকামনা জানিয়ে বক্তব্য দেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শিখা সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মতিউর রহমান এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. রাশেদ করিম। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল মতিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক মোছা. মাহফুজা ইয়াসমিন ও প্রভাষক সজীব আহমেদ।
অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্ব শেষে অতিথি ও শিক্ষকমণ্ডলী বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে বিশেষ স্মারক হিসেবে দৃষ্টিনন্দন স্কেচ তুলে দেন। শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত হয়।