সিল্কসিটি নিউজ ডেস্ক :
ওই যুবকের নাম কমলেশ।
তাকে মধ্যপ্রদেশের ধর জেলায় করোনভাইরাসজনিত কারণে ‘মৃত’ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) অনুসারে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। নাগরিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে ওই যুবকের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছিল।
মৃত্যুর দুই বছর পর কমলেশের বাড়ি ফিরে আসার ঘটনায় হতবাক ও পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। তবে কমলেশ জানান, তিনি আহমেদাবাদে একটি গ্যাংয়ের সঙ্গে ছিলেন। সেখানে প্রতিদিন তাকে একটি নেশাজাতীয় ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে রাখা হতো।

কমলেশ ফিরে আসার পর তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেছেন।
এদিকে, ধর জেলার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।









