রাজশাহীর খবর

ড্রেন থেকে রাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার: আঁধারে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক২১ অক্টোবর ২০১৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ড্রেনের মধ্যে ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী মোতালেব হোসেন ওরফে লিপুর (২৩) লাশ উদ্ধারের ঘটনায়িএখনো আঁধারে রয়েছে পুলিশ।

 

  • ঘটনার একদিন পরেও এ নিয়ে কোনো ক্লু খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। ফলে লিপু হত্যা না আত্মহত্যা, সেটি নিয়ে রহস্যজট আরো ঘনিভূত হতে শুরু করেছে। তবে ঘটনার পরে আটক চারজনের মধ্যে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। যদিও এখনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে লিপুর রুমমেট মনিরুল ইসলামকে। কিন্তু তার নিকট থেকেও এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য আদায় করতে পারেনি পুলিশ-এমনটিই নিশ্চিত করেছে মতিহার থানার একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা।

 

জানতে চাইলে নগরীর মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, লিপুর লাশ উদ্ধারের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল লতিফ হলের দুজন নৈশ্যপ্রহরীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে।

 

তবে লিপুর রুমমেট মনিরুল ইসলামকে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার নিকট থেকে কোনো তথ্য পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখনো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। ‘

 

  • তবে পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র সিল্কসিটি নিউজকে বলছে, লিপুর লাশ উদ্ধার নিয়ে এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ। ফলে কোনো তথ্যের সূত্র ধরেই তারা এগুতো পারছে না। ফলে লিপুর লাশ উদ্ধারের রহস্যজট আরো ঘনিভূত হচ্ছে। হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে প্রশ্নটিই ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাঝে। যদিও লাশের সুরতহাল রিপোর্টের সময় প্রাথমিকভাবে পুলিশ সেটিকে হত্যাকাণ্ড বলেই চিহ্নিত করে। আবার তদন্তকাজও সেইদিক থেকেই এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

 

প্রসঙ্গত,  বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকালে রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোতালেব হোসেন লিপুর লাশ আবদুল লতিফ হলের ডাইনিং-এর পেছনে ড্রেনের ভিতরে পাওয়া যায়।

 

ওই হলের ২৫৩ নম্বর কক্ষে থাকতেন লিপু। এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মতিহার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের চাচা বশির উদিন। লিপুর বাড়ি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার মুকিমপুর গ্রামে। তার বাবার নাম বদর মোল্লা।

স/আর