সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে ট্রেনটি পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন থেকে ছেড়ে যাবে এবং জয়দেবপুর জংশনে পৌঁছাবে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে। ট্রেনটি কিসমত, ঠাকুরগাঁও রোড, দিনাজপুর, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ি, বিরামপুর, জয়পুরহাট ও শান্তাহার স্টেশনে যাত্রা বিরতি করবে।
৭ এপ্রিল থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে এবং শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট ক্রয় করতে হবে। একজন যাত্রী তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন। এছাড়া যার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে টিকিট কেনা হবে তাকে অবশ্যই ট্রেনে থাকতে হবে। এজন্য আগে থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

বুধবার পর্যন্ত ১৫ লাখ যাত্রী অনলাইনে ঈদের টিকিটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। তবে ট্রেনে ২৫ শতাংশ যাত্রী টিকিট কেটে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যেতে পারবেন। এ টিকিট যাত্রার দিনেই স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আরও বলেন, ঢাকা থেকেও উত্তরবঙ্গগামী আরও একটি স্পেশাল টেন চলাচল করবে। এছাড়া অন্যান্য দিনের মতো ৬২টি ট্রেন সময়সূচি মেনে চলাচল করবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মো. কবীর উদ্দীন, বাংলাদেশ রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট মো. শহীদ উল্লাহ, বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা মো. আমিনুল হক এবং ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. শাহজাহান পাটোয়ারী।









