বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে মালকুড় গ্রামে নিজ বাড়িতে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা। এ অবস্থায় রাতেই চিকিৎসার জন্য বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বিজরুল হাসপাতালে নেওয়ার পর ফিমা মারা যায়।
বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারিয়ার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ প্রাথমিক তদন্তে খাদ্যে বিষক্রিয়ার তথ্য পেলেও ময়নাতদন্তের পর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানায়।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম ও রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন বাংলানিউজকে জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে দুই বোন নিজ ঘরে পড়াশোনা করছিল। এ সময় তাদের মা খাবার খেতে বললে তারা টাকি মাছের ভর্তা দিয়ে ভাত খেয়ে শুয়ে পড়ে। রাত ১১টার দিক তারা দুইজনই পেটে ব্যথা অনুভব করে এবং বমি করতে থাকে। পরে স্বজনরা তাদের চিকিৎসার জন্য নন্দীগ্রাম উপজেলার বিজরুল হাসপাতালে ভর্তি করলে রাত দেড়টার দিকে ফিমা মারা যায়। আর ফারিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে মারা যায় ফারিয়া।
ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (পরিদর্শক) রেদওয়ানুর রহিম চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বাংলানিউজকে জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ফারিয়ার মৃত্যুর কারণ বলে প্রাথমিক তদন্তে তারা পেয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের পর এ মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহতের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলার বিজরুল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ফিমা খাতুন খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।
তিনি বলেন, রান্না করা খাবার খোলা থাকায় টিকটিকি বা কোনো প্রাণীর প্রস্রাব-পায়খানা খাবারে পড়ে বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে।









