রাজশাহী

রামেক হাসপাতালে করোনায় ও উপসর্গ নিয়ে ৪৪ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক২২ জুন ২০২০২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে  করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এবং এ রোগের উপসর্গ  নিয়ে সোমবার (২২জুন) সকাল পর্যন্ত ৪৪ জন রোগী মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৮জন রোগী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। আর ৩৬ জন রোগী মরা গেছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে। এদের সকলেই হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান।

মৃতদের অধিকাংশই ৫০ উর্ধ্ব পুরুষ। সকলেই রাজশাহীসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, নাটোর ও নওগাঁ জেলার বাসিন্দা।

হাসপাতালের অন্যান্য রোগীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য করোনা আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের পৃথক ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস।

এদিকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রামেক হাসপাতালসহ খ্রিষ্টান মিশন হাসপাতালে মোট ১৭ জন করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি আছেন। এদের মধ্যে ১জন আইসিইউতে চিকিৎসাধিন। ২৯ নম্বর করোনা ওয়ার্ডে ১২জন এবং ৪জন মিশন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালে ভেন্টিলেটরসহ আইসিইউ বেডের সংখ্যা ১৫টি। যেখানে রোগী ভর্তি আছেন ৪জন। এদের মধ্যে একজন করোনা পজিটিভ।

করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের হাসপাতালের বার্ণ ইউনিট ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হচ্ছে ও চিকিৎসা বেসা দেয়া হচ্ছে।

এছাড়া হাসপাতালের অদূরে বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী শাখার পশ্চিমে অবস্থিত খ্রিষ্টান মিশন হাসপাতালটিও করোনা ইউনিট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছেন।


আরও পড়ুন :

করোনা: বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে রাজশাহী নগরীর পরিস্থিতি


ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করোনা রোগীসহ হাসপাতালে আসা সকল রোগীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দিতে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। হাসপাতালে আসা কোন রোগীকেই স্বাস্থ্য সেবা না দিয়ে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না।

তিনি আরো জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে লকডাউন চলাকালনি সময়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় হাসপাতালে রোগীদের উপস্থিতি কমে যায়। তবে এখন রোগীদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। শুরু থেকেই চিকিৎসকরা নিয়মিত রোগী দেখছেন ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক অপারেশন করছেন।

হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পর্যাপ্ত সংখ্যক সংগ্রহে রয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

স/রা

ট্যাগ: