রাজশাহী

রামেক হাসপাতালে ফের রোগীর স্বজনদের পেটালো ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

নিউজ ডেস্ক১৫ নভেম্বর ২০১৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবারো রোগীর স্বজনদের পেটালো দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। মারধোরের পর রোগীর দুই স্বজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে তারা।

 

আজ মঙ্গলবার দুপুর  ১টার দিকে রামেক হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

 

আটককৃতরা হলেন, পুঠিয়া উপজেলার কাঠালবাড়িয়া এলাকার রওশন ইয়াজ দানীর ছেলে নাহিদ(২৩) এবং নাটোর জেলার একডালা বাবুপুকুর এলাকার আবুল কালামের ছেলে সাদ্দাম(২২)। এদের মধ্যে সাদ্দাম নাটোর নিরাজউদ্দৌলা কলেজের বিএসএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

 

রোগীর স্বজনরা সিল্কসিটি নিউজকে জানায়, গতকাল সোমবার রাত পৌনে আটটার দিকে রক্তজনিত সমস্যার কারনে রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন নাটোরের চাঁদপুর এলাকার মায়িদা মিঞার ছেলে জয়নাল(৭০)। সকাল থেকে তেমন কোন চিকিৎসা না পাওয়ায় দুপুর ১ টার দিকে স্বজন নাহিদ ও সাদ্দামের সাথে কথাকাটাকাটি হয় ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক কে.এম সালাউদ্দিনের সাথে। এক পর্যায়ে সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৪ থেকে ৫ জনের একটি দল এসে নাহিদ ও সাদ্দামের উপর হামলা করে। তাদের বেধরক মারধোর করে আটকে রাখে।

 

পরে পুলিশ জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হলে নাহিদ ও সাদ্দামকে পুলিশে সোপর্দ করে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। পুলিশ তাদের আটক করে নগরীর রাজপাড়া থানায় নিয়ে যায়।

 

রাজপাড়া থানার ভা্রপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানউল্লাহ জানায়, হাসপাতালে মারধরের ঘটনায় দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আশা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের অবস্থা শান্ত আছে।

 

প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরে রামেক হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসকের অবহেলায় মহসিন আলী নামের এক রোগীর মৃত্যূ হয়। এর জের ধরে স্বজনরা প্রতিবাদ করলে ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং রামেক ছাত্রলীগ সভাপতি শফিকুল ইসলাম অপু ও রায়হানের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর অপু এবং তার ক্যাডাররা রোগীর স্বজন আনারুল ও রফিকুল ইসলাম বাবুকে পিটিয়ে জখম করে। এরপর দুজনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। যদিও পরে তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।

 

ওই ঘটনায় দুই ছেলেকে পুলিশে সোপর্দ করা হয় । তারা হলেন, রফিকুল ইসলাম (৪০) ও আনারুল ইসলাম (৩০)। তাদের আটক করে রাজপাড়া থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের বিকেলে তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।

 

স/শ