নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী মহানগরী মালোপাড়া এলাকায় অবস্থিত যমুনা নামরে একটি আবাসিক হোটেলে এক কিশোরীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসেন্স সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

সোমবার দিবাগত রাতে ওই হোটেলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিন কর্মচারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর থানা জাহতে রেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোলায়মান হোসেন।
তিনি সিল্কসিটি নিউজকে জানান, গত রোববার সন্ধ্যার পর থেকে মহানগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনে আবসিক হোটেল যমুনায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
তবে ঘটনার মূল হোতা মেয়েটির প্রেমিক মনিরুল ইসলাম মনির এবং তার অন্যতম সহযোগী আলামিন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
বোয়ালিয়া তানার ওসি শাহাদত হোসেন খান সিল্কসিটিনিউজ জানান, তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেয়েটির সঙ্গে আসা সেই ছেলেটি পলাকত রয়েছে।
জানা গেছে, ওই কিশোরীর বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায়। রোববার সন্ধ্যায় তিনি প্রেমের টানে বগুড়া থেকে রাজশাহী আসেন। এরপরে কথিত প্রেমিক মনিরুলের সঙ্গে তিনি ওই হোটেলে উঠেন। এর পারে হোটেলের স্টাফদের সহযোড়িতায় সাতজনে মিলে মেয়েটিকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে গণধর্ষণ করে। পরে কৌশলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে বোয়ালিয়া থানায় যান। এরপর তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মোবাইলে প্রেমের সম্পর্কের কারণে প্রেমিকের সঙ্গে মেয়েটি হোটেলে গিয়ে উঠেন। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ বর্ডারের খাতায় কৌশলে তাদের নাম উঠায়নি। পরে রাতেই মেয়েটিকে গণধর্ষণ করা হয়। এতে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
এদিকে রাজশাহী মেডিকেল নকলেজ রামেক হাসপাতাল সূত্র মতে, কিশোরীটিকে ওইদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকেই রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স/আ









