রাজশাহী

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

নিউজ ডেস্ক৬ জানুয়ারি ২০২৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজশাহীতে তাপমাত্রা নেমে এসেছে মৌসুমের সর্বনিম্ন। আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় তাপমাত্র ছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কুয়াশা তেমন না থাকলেও হাড়কাঁপানো হিমেল হাওয়ায় মেরেছে শীতের দাপট।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি। এই সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার খুব বেশি ব্যবধান নেই।  সাড়ে ৮ ডিগ্রির ব্যবধান। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান ছাড়াও শুধু সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে। ভোর ছয়টা ৪৭ মিনিটে সূর্যোদয়ের কথা থাকলেও সকাল ১০ টা পর্যন্ত নেই সূর্যের দেখা।

শীতের কারণে কিছুটা হলেও স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। কি শহর, কি গ্রাম, একই চিত্র জেলার সবখানে। আবহাওয়া অফিসের হিসেবে সকালে বাতাসে আদ্রতার আদ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। ফলে কনকনে ঠান্ডা বাতাসে শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র শীতের শিহরণ।

ভোরের রাজশাহী যেন চারপাশ ধূসর কুয়াশায় মোড়া। রাস্তার বাতির আলো কুয়াশার আবরণ ভেদ করে ম্লান আলো ছড়াচ্ছে। রিকশাওয়ালারা মাথায় মাফলার, শরীরে চাদর জড়িয়ে, কাঁপতে কাঁপতে যাত্রী খুঁজছেন। চায়ের দোকানের পাশে টিনের ড্রামে জ্বালানো আগুনে গা গরম করছেন শ্রমজীবী মানুষ।

শীতের কারণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালের শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে বাড়তি রোগীর চাপ পড়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগী বাড়ছে।

দিনমজুর আর খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে। পঞ্চাশোর্ধ্ব রিকশাচালক মুঞ্জুর রহমান বলেন, সকাল-বিকেল ঠান্ডায় হাত জমে যায়। কিন্তু না বের হলে পেট চলবে না ভাই। এখনও মাঘ মাস আসেনি। তার পরেও এতো শীত পড়ছে। সড়কে টেকা যাচ্ছেনা। শীতের জ্বালায়।

এ বিষয়ে রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন বলেন-

আজ সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ থাকায় অনুভূত তাপমাত্রা আরও কম।#