নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীর বেলপুকুরের বোমা তৈরীর সময় বিস্ফোরণে দুইজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে আব্দুল খালেক(৩০) নামক একজনের দুই হাতের কবজি ও বাম চোখ উড়ে গেছে। এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন অংশে বোমার স্প্লিন্টার ঢুকে গেছে।
পরে তাকে আটক করে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ রামেক হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুঠিয়া থানা পুলিশ।
আজ শনিবার রাত ৮টার দিকে বেলপুকুরের তাড়াশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত আব্দুল খালেক চারঘাট উপজেলার লালপুৃর এলাকার আবু বকর শেখের ছেলে। তবে আহত অপর জনের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, পুঠিয়ার তাড়াশ এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে জাহিদের বাড়িতে কয়েকজন মিলে বোমা তৈরী করছিলো। এসময় তাদের অসাবধানতাবসত বোমা বিস্ফোরণ হলে খালেকের দুই হাতের কবজি উড়ে যায়। এ সময় বাকিরা আহত হলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় অপর এক সূত্র জানায়, বোমা বিস্ফোরণের পর আহত খালেক বাড়ির মেইন সুইচের পাশে তারের সাথে ঝুলছিল। এলাকাবাসি তাকে সেখান থেকে নামিয়ে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে রাখে।
পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে খালেককে আটক করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রামেক হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
আহত খালেকের অবস্থা অাশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রামেক হাসপাতালের অটিতে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে ওটিতে তার চিকিৎসা চলছে।
রামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মিথুন সিল্কসিটি নিউজকে জানান, খালেকের দুই কবজি এবং বাম চোখ উড়ে গেছে। এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্প্লিন্টার রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।
অপরদিকে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, আহত খালেক শিবিরের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তার চাচাতো ভাই লালনকে সম্প্রতি শিবিরের বিভিন্ন বইপত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। তবে খালেক পলাতক ছিল।
স/শ









