নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহী মহানগরীতে ৩৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য পাঁচটি ফ্লাইওভার তিন বছরেও শেষ হয়নি। প্রতিটির ৪০-৫০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও ধীরগতির কারণে ভোগান্তি চরমে উঠেছে। নির্মাণকাজ চলায় অনেক সড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। বিকল্প সরু পথে যানবাহন চলাচল করায় প্রতিদিন নগরজুড়ে তৈরি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে বহুগুণে।
রাসিক সূত্র জানায়, ২০২১ সালে এসব ফ্লাইওভারের চুক্তি হয় এবং এক বছর পর কাজ শুরু হয়। হড়গ্রাম নতুনপাড়া, কোর্ট স্টেশন, রেলগেট, ভদ্রা এবং বর্ণালী-বিলসিমলা এলাকায় এসব ফ্লাইওভার নির্মিত হচ্ছে। দৈর্ঘ্যে ৪০০ মিটার থেকে ১২৫৫ মিটার পর্যন্ত এসব ফ্লাইওভার রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।

নগরবাসীর অভিযোগ, রাস্তা খুঁড়ে ফেলে দীর্ঘদিন কাজ না করায় সড়কগুলো খানা-খন্দকে ভরে গেছে। এর ফলে দুর্ঘটনার হারও বেড়েছে। বিকল্প রাস্তাগুলো সরু ও ভাঙাচোরা হওয়ায় যানজট দিন-রাত লেগেই আছে।
একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট সনেট হোসেন বলেন, ফ্লাইওভারগুলোর কাজ শেষ না হওয়ায় যানজট ব্যাপক হারে বেড়েছে। আমরা নানা চেষ্টা করেও তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছি না।
রিকশাচালক আকবর হোসেন বলেন, “গাড়ির চাকা নড়তেই চায় না, শহরে শান্তিতে চলাচল করা যায় না।” বাসচালক নূরুল ইসলাম বলেন, বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সেখানেও রাস্তা ভাঙাচোরা। দুর্ঘটনাও বাড়ছে।
অন্যদিকে ঠিকাদাররা দাবি করছেন, তারা কাজ করেও পর্যাপ্ত বিল পাচ্ছেন না। মজিদ অ্যান্ড সন্সের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সারোয়ার জাহান বলেন, আমরা তিনটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করছি, ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও বিল পেয়েছি মাত্র ২০ শতাংশের। প্রায় ২০ কোটি টাকার বিল আটকে আছে। নগরভবনের গাফিলতির কারণে সময়মতো বিল ছাড় হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে কাজ বন্ধ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।
এ প্রসঙ্গে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার খন্দকার আজিম আহমেদ বলেন, “ঠিকাদারদের সমস্যার বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। দ্রুত তাদের বিল ছাড় করা হবে বলে আশা করি









