গোদাগাড়ী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউপি ১নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোঃ রুহুল আমিন নয়নের নিকট হতে ডিবি পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কাঠালবাড়ীয়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে রুহুল আমিন নয়ন এ নিয়ে সোমবার বিকেলে নগরীর রাজপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এতে তিনি উল্লেখ করেন, গত রবিবার রাজশাহী সিটির হাট থেকে সন্ধা সাড়ে ৬টার দিকে গরু বেচাকেনা করে টাকা নিয়ে মটরসাইকেল যোগে তার ছেলে নূর আলম নবীনকে নিয়ে সিটি বাইপাস থেকে বন্ধগেট রাস্তা হয়ে শিরোইল কলোনী এলাকায় বোনের বাড়ীর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন রুহুল আমিন।
পথিমধ্যে ডাবতলা মোড় নামক স্থানে ফাঁকা জায়গায় নোহা ব্র্যান্ডের সাদা মাইক্রো রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। মাইক্রোর পার্শ্বে দাড়ানো ৫-৬ জন তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে বলে, ‘আমরা গোয়েন্দা ডিপার্টমেন্টের লোক। আপনার নামে অভিযোগ আছে আমাদের সাথে যেতে হবে। একথা বলার সাথে সাথেই সবাই তাকে ঘিরে ফেলে এবং বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে চোখ ও মুখ বেঁধে রুহুল আমিনকে ও তার ছেলেকে সাদা মাইক্রোতে উঠিয়ে নেয়।
সেই স্থানেই রুহুল আমিনের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পড়ে থাকে। স্থানীয়রা রাতে মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখে রাজপাড়া থানাকে জানালে তারা নিয়ে যায়। মাইক্রো বাসে উঠানোর পর রুহুল আমিনের কালো ব্যাগে থাকা ব্যবসার ২০ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা।
এরপর রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে নাটোর বনপাড়া ফাঁকা নির্জন জায়গায় হ্যান্ডকাপ খুলে দিয়ে রুহুল আমিনকে ও তার ছেলেকে নামিয়ে দেয়।
পরে স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, এটি নাটোর বনপাড়া এলাকা। এর হাঁফ কিলোমিটার পার্শ্বে পুলিশ তদন্ত ফাঁড়ি। সেই রাতেই প্রাণে রক্ষা পেয়ে রুহুল আমিন ও তার ছেলে রাজশাহী চলে আসেন।
এরপর সোমবার বিকেলে রাজশাহী মহানগরী রাজপাড়া থানায় একটি ছিনতাইয়ের অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
ইউপি সদস্য রুহুল আমিন নয়ন বলেন, এই ছিনতাইয়ের পেছনে প্রশাসনের হাত রয়েছে বলে মনে করছি।
রাজপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ তৌহিদ বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ২০ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের রুহুল আমিন নয়নের নিকট হতে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছি।’
স/আর









