রাজশাহী

রাজশাহীতে টিটিসির তালা কেটে চুরি, মামলা করেনি কর্তৃপক্ষ

নিউজ ডেস্ক১২ আগস্ট ২০২৫২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজশাহী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিটিসির মেশিন শপ বিভাগের তালা ভেঙে একটি ল্যাপটপ ও একটি কম্পিউটার নিয়ে গেছে চোরেরা। গত ৭ জুলাই রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো অভিযোগ করেনি কর্তৃপক্ষ। তবে টিটিসির অধ্যক্ষ নাজমুল হক চুরির ঘটনায় জড়িতদের খুঁজতে একটি তদন্ত কমিটি করেছেন।

 

রাজশাহী নগরীর সপুরা এলাকায় অবস্থিত টিটিসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই রাতে চোরেরা টিটিসির মেশিন শপ বিভাগের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে একটি ল্যাপটপ ও একটি কম্পিউটার চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পরের দিন বিষয়টি জানাজানি হয়। রাজশাহী টিটিসির অধ্যক্ষ নাজমুল হক চুরির ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেন। তবে তালা ভেঙে চুরির ঘটনায় নিকটস্থ শাহমখদুম থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।

টিটিসিতে কর্মরত একজন প্রশিক্ষণ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, টিটিসি একটি সুরক্ষিত জায়গা। চোরেররা তালা কেটে এতো বড় চুরির ঘটনা ঘটলেও থানায় অভিযোগ দেওয়া হলো না। অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে চোরদের গ্রেফতারে সচেষ্ট হত। অভ্যন্তরীণ তদন্তে কখনো চোর ধরা সম্ভব হবে না।

একাধিক শিক্ষাথীর অভিযোগ, মেশিন শপ বিভাগে বিভিন্ন ধরণের মেশিনের ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। টিটিসির এ বিভাগটি গুরুত্বপূর্ণ মেশিনারিজ ও কম্পিউটার ল্যাব দ্বারা সজ্জিত। এখানে চুরির ঘটনা রহস্যজনক।

এর আগেও ২০২১ সালের ২০ মার্চ রাতে রাজশাহী টিটিসিতে বড় ধরণের চুরির ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময় চোরেরা ল্যাবের ২৯টি কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে গিয়েছিল। ওই ঘটনার দুদিন পর শাহমখদুম থানায় মামলা করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী টিটিসির অধ্যক্ষ নাজমুল হক বলেন, ‘বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির বিষয়। এ কারণে আমরা থানায় অভিযোগ করিনি। তবে তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। দেখা যাক তদন্তে কি উঠে আসে। তারপর আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।’