নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু সিলিকন সিটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে নগরীর নবীনগর এলাকায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের সুচনা করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহীর সাবেক মেয়র এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও নগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও হাইকেট পার্ক প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম।


জানা যায়, বিওবি অর্থায়নে সিলিকন সিটিতে ১০ তলা বিশিষ্ট একটি এমটিবি ভবন নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও ভূমি উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, মানব সম্পদ উন্নয়ন, ইনকুবেশন সুবিধা সৃষ্টি করা হবে বিওবি অর্থায়নে। আর বিশ্বব্যাংকের ঋণের ৪৩ কোট ১৯ লাখ টাকা অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও ভূমি উন্নয়নসহ কিছু সহায়ক অবকাঠামো এবং ৬২ হাজার বর্গফুট আয়তনের ৫ তলা বিশিষ্ট একটি আইটি ইনকুবেটর কাম ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করা হবে।
শুক্রবার বিকেলে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কালে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরসহ সারা দেশে ২৮টি হাইকেট পার্ক নির্মাণ করা হবে। যার শুরু রাজশাহী থেকে। এই সিলিকন সিটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির আদলে। ফলে রাজশাহী থেকেই তৈরী হবে ফেইসবুক ও গুগল।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে রাজশাহীতে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে হাইকেট পার্ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছিলেন তৎকালিন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তার দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে হাইকেট পার্ক স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র ও শিক্ষা নগরী রাজশাহীতে ৩১ দশমিক ৬৩ একর জায়গার উপর এই সিলিকন সিটি নির্মাণে ব্যয় হবে ২৮১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দেবে ৪৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। যেখানে ১৪ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মস্থান হবে ।
উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু সিলিকন সিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর নামকরণও করা হয় রাজশাহী বঙ্গবন্ধু সিলিকন সিটি। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৩৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরে তা অনুমোদন দেয়া হয়।
স/শ









